প্রতিবেশী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
নিজের সাবধান থাকার বিষয়গুলো জোর দিতে হবে বেশি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। তাই আশপাশেই ‘কোভিড-১৯’য়ে আক্রান্ত থাকার আশঙ্কা প্রতিনিয়ম বাড়ছে। যা পক্ষান্তরে আপনার নিজের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি মানায় অনেকটাই অবহেলা এসেছে মানুষের মাঝে। বাড়ির পাশেই কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে আপনার করণীয় কী হবে?

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল সে সম্পর্কেই।

মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ:
দূরে গেলে কিংবা লম্বা সময়ে জন্য গেলে মাস্ক হয়ত পরছেন। তবে কয়েক মিনিটের জন্য ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক না পরা মানুষের সংখ্যা অনেক। আবার বাইরে হাঁটতে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনেকেই নিজ ভবনের ছাদে হাঁটেন। এখন আপনার ভবনেই যদি করোনা-রোগী থাকে তবে বাড়ির ছাদেও মাস্ক পরতে হবে। নিজের ফ্ল্যাট থেকে এক পা বের হলেও মাস্ক পরতে হবে।

যথাসম্ভব লিফট এড়ানো:
প্রতিটি লিফটই একটি বদ্ধ স্থান যা ভবনের সবাই ব্যবহার করেন। ফলে আপনার ভবনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিও তা ব্যবহার করছেন বা কিছুদিন আগেই করেছেন। তাই নিজের নিরাপত্তার জন্য ভবনে করোনা-রোগী থাকলে লিফট ব্যবহার না করাই ভালো।

জীবাণুনাশক ব্যবহার:
দরজা ও তার হাতল, বাসার বিভিন্ন আসবাবপত্র ইত্যাদি নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। বাইরের জুতা ভেতরে আনা যাবে না। হাতে গ্লাভস পরতে হবে।

ঘরের বাইরে কী স্পর্শ করছেন খেয়াল রাখতে হবে:
ঘরের বাইরের যে কোনো বৈদ্যুতিক সুইচ, লিফটের সুইচ, সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি যথা সম্ভব হাত দিয়ে স্পর্শ না করার চেষ্টা করতে হবে। সঙ্গে সবসময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে এবং যে কোনো কিছু স্পর্শ করার পরপরই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

নাকে-মুখে হাত দেওয়া যাবে না:
এ ব্যাপারে আগে যতটুকু সচেতন ছিলেন এখন তার কয়েকগুণ বেশি সতর্ক হতে হবে। সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করার অভ্যাসও বাড়াতে হবে নিজের এবং পরিবারের সবার।

অন্যান্য সতর্কতা:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি ঘরের আশপাশে থাকলে সবকিছুতেই বাড়তি সতর্কতা আবশ্যক। গরম পানি পান করার মাত্রা বাড়াতে হবে। দিনে কমপক্ষে একবার গরম পানি দিয়ে ‘গার্গল’ করতে পারেন। দিনে দুইবার ভাপ নিতে পারেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে, ফল খাওয়া বাড়াতে হবে।

সূত্রঃ বিডিনিউজ