পাঁচ বছর পর সঙ্গী পেলেন মেসিরা

ক্রীড়া ডেস্কঃ
সুযোগ ছিল দুই দলের সামনেই। রোববার রাতের ফাইনালে যারাই জিততো, পেতো ট্রেবলের স্বাদ। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের জন্য বিষয়টা নতুন নয়। তারা আগেও জিতেছে ট্রেবল। কিন্তু ফ্রেঞ্চ ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেই ট্রেবল দূরে, কখনও চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপাই জেতেনি। ফলে তাদের সামনে এটি ছিল সুবর্ণ সুযোগ।

কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার, এমবাপেরা। একের পর এক গোল মিসের মহড়ায় হারতে হয়েছে ১-০ গোলে। তাও কি না স্বদেশি মিডফিল্ডার কিংসলে কোম্যানের গোলে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে এই ফ্রেঞ্চ মিডফিল্ডারের গোলেই নিজেদের ইতিহাসের দ্বিতীয় ট্রেবল জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের একই মৌসুমে ঘরোয়া লিগ, ঘরোয়া কাপ এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ (তৎকালীন ইউরোপিয়ান কাপ) জিতলে সেটিকে ট্রেবল হিসেবে আখ্যায়িত। এ কাজটি এতোটাই কঠিন যে ইউরোপের সফলতম ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ এখনও পর্যন্ত একবারও পারেনি ট্রেবল জিততে।

তবে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা এবং জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এই ট্রেবল জিতেছে দুইবার করে। ইতিহাসের প্রথম ক্লাব হিসেবে ২০১৪-১৫ মৌসুমে দ্বিতীয় ট্রেবল জেতার গৌরব অর্জন করেছিল বার্সেলোনা। গত পাঁচ বছর ধরে তারা একাই ছিল দুই ট্রেবলজয়ী ক্লাবে।

এবার ২০১৯-২০২০ মৌসুমে এসে বার্সেলোনার সঙ্গী হলো বায়ার্ন মিউনিখ। তারা আগেই জিতে রেখেছিল জার্মান বুন্দেসলিগা ও ডিএফবি পোকাল তথা জার্মান কাপ। রোববার রাতে কোম্যানের করা একমাত্র গোলের সুবাদে ২০১১-১২ মৌসুমের পর আবারও ট্রেবল জিতল বায়ার্ন।

ইউরোপিয়ান ফুটবলে শুধুমাত্র বার্সেলোনা ও বায়ার্নই ট্রেবল জিতেছে দুইবার করে। এছাড়া একবার করে ট্রেবল জেতা ক্লাবগুলো হলো সেল্টিক (১৯৬৬-৬৭), আয়াক্স (১৯৭১-৭২), পিএসভি আইন্ধোবেন (১৯৮৭-৮৮), ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (১৯৯৮-৯৯), ইন্টার মিলান (২০০৯-১০)।

এদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে ফ্রান্সের পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে ফাইনাল ম্যাচে গোলের কীর্তি গড়লেন কোম্যান। তার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গোল করা ফ্রান্সের চার ফুটবলার হলেন করিম বেনজেমা (২০১৮), জিনেদিন জিদান (২০০২), মার্সেল ডিসেলি (১৯৯৪) এবং বাসেল বলি (১৯৯৩)।

সূত্রঃ জাগোনিউজ