স্থগিত বিশ্বকাপ বাছাই ক্যাম্প

ক্রীড়া ডেস্কঃ
২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপের বাছাই আরেক দফা পিছিয়ে যাওয়ার পর প্রস্তুতি ক্যাম্প স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। এই ক্যাম্পের জন্য ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তাদের চিকিৎসা চলবে দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার তত্ত্বাবধানেই।

ফিফা ও এএফসি আলাদা বিবৃতিতে বুধবার চলতি বছরে বাছাইপর্বের কোনো ম্যাচ না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে। করোনাভাইরাসের থাবায় গত মার্চে একে একে বন্ধ হয়ে যায় সব খেলাধুলা। স্থগিত হয়ে যায় বাছাইপর্বের প্রিলিমিনারি রাউন্ড।

এক বিবৃতিতে বুধবার ক্যাম্প স্থগিতের কথা জানায় বাফুফে।

“বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাই পিছিয়ে যাওয়ায় জাতীয় ফুটবল দলের চলমান আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প বৃহস্পতিবার থেকে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ আক্রান্ত খেলোয়াড়দের বাফুফের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।”

পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে আন্তর্জাতিক ফুটবলের উইন্ডোতে পুনরায় বাছাইপর্বের ম্যাচ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিল ফিফা। তবে আপাত তা আর হচ্ছে না, ২০২১ সালে নতুন করে সূচি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

আগামী ৮ অক্টোবর সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ফিরতি লেগে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। এই দলের কাছে ১-০ গোলে হেরেই বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু করেছিল জেমি ডের দল। আগের চার ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশ ‘ই’ গ্রুপে আছে পাঁচ নম্বরে। তাদের বাকি আছে আর চার ম্যাচ।

বাছাই সামনে রেখে সম্প্রতি ৩৬ জনের প্রাথমিক দল দিয়েছিল বাফুফে। ৭ অগাস্ট থেকে গাজীপুরে ক্যাম্প শুরুর কথা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস সংক্রামণ এড়াতে খেলোয়াড়দের তিন ধাপে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

সঙ্গে সব খেলোয়াড়দের কোভিড-১৯ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। তাতেই জটিল এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়; প্রথম দুই দফায় ২৪ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৮ জন পজিটিভ আসে। অবশ্য যাদের নেগেটিভ এসেছে, তারা অল্প সময়ের জন্য হলেও নিয়মিত অনুশীলন শুরু করেছিলেন।

তবে, ফিফার নতুন সিদ্ধান্তে ফুটবলারদের মাঠে ফেরার সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

সূত্রঃ বিডিনিউজ