রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে টক দই

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
টক দই সবার পরিচিত একটি খাবার। খালি খাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন খাবারও তৈরি করা যায় টকদই দিয়ে। অনেকে আবার বিভিন্নরকম রান্নায় ব্যবহার করেন। কেউ বা খান দুধের বিকল্প খাবার হিসেবে। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, টক দই খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তাতে করে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা অনেকটা সহজ হবে। এমনটাই প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

আমাদের শরীরে শক্তির জন্য প্রয়োজন কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট ইত্যাদি। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন খাবারের মধ্যে ভিটামিন ও মিনারেল সম পরিমাণ থাকে। করোনার কারণে বাড়ছে উদ্বেগ। তাই সুস্থ থাকতে পাতে রাখতে হবে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার।

অনেক অসুখে পথ্য হিসেবে দই খেতে পরামর্শ দেয়া হয়। টক দইয়ে রয়েছে প্রো-বায়োটিক উপাদান। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের মধ্যে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়াকে ধ্বংস করে পরিপাকে সাহায্য করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এছাড়া প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ, বি ৬, বি ১২-সহ নানা পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর টক দই।

জেনে নিন টক দইয়ের কিছু উপকারিতা:
* আমাদের শরীরে টক্সিন জমতে বাধা দেয় টক দই। এ কারণে কোষ্ঠ পরিষ্কার থাকে। টক দই আমাদের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। আবার রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএলের মাত্রাও কমিয়ে দেয়।

* নিয়মিত টক দই খেতে পারলে হজম শক্তি ভালো থাকে। কারণ এটি ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে আলসারের আশঙ্কাও কমে এর ফলে।

* যারা বাড়তি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত টক দই খান। কারণ শরীরের মেদ বৃদ্ধিতে সহায়ক হরমোন তৈরিতে বাধা দেয় টক দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম। প্রতিদিন টক দই খেলে দাঁতের গঠনও মজবুত হয়।

যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন:

* দই জমতে দেয়ার পরে ২৪ ঘণ্টার বেশি রাখা থাকলে দইয়ের পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায়।

* প্রতিদিন টক দই ছোট বাটির এক বাটি খাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম।

* কৃত্রিম স্বাদ-গন্ধযুক্ত দই খেলে তেমন কোনো উপকার মিলবে না।

* টক দই শুধু খেতে ভালো না লাগলে তাজা ফলের সঙ্গে মিশিয়ে সালাদ খেতে পারেন।

* ঠান্ডা টক দইয়ের বদলে ঘরের তাপমাত্রায় রাখা টক দই খাওয়া বেশি ভালো।

সূত্রঃ জাগোনিউজ