কচ্ছপিয়া ব্রীজের নিচের বাজার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে, অন্যত্র সরানোর দাবি

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া বাজার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী। করোনা সংকটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা মাঠে বসানোর নির্দেশনা থাকায় কৌশলে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে একটি মহল খোলা মাঠে না নিয়ে গর্জনিয়া বাজারকে পার্শ্ববর্তী কচ্ছপিয়া ষ্টীল ব্রীজের নিচে বসান।

রোববার সন্ধ্যায় ওই বাজারে মালামাল নিয়ে যাওয়ার জন্য মাইকিং করান কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এম সেলিম। মাইকিং-এর মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতাকে নতুন বাজারে যেতে বলা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সোমবার সকাল থেকে সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষা করে হাজির হয়েছেন হাজারো ক্রেতা-বিক্রেতা। মানুষের ঠাসাঠাসি ভিড় দেখা গেছে বাজারে।

হাটে আসা এক ক্রেতা জানান- খোলা মাঠে বাজার বসার কথা শুনে বাজারে এসেছেন তিনি। কিন্তু এসে দেখেন বাজারের খুব পাশেই কচ্ছপিয়া ষ্টীল ব্রীজের নিচে বাজার বসেছে। ওই স্থানটি বাজার বাসানোর উপযুক্ত নয়। কারণ আশপাশে অনেক ময়লা আবর্জনা রয়েছে। করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে অথবা কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পিছনের মাঠে গর্জনিয়া বাজারের সপ্তাহের হাটটি বসালে অনেক ভাল হত।এই করোনা পরিস্থিতিতে ইউএনওর কাছে নতুন বাজারটি ইজারামুক্ত রাখার দাবিও জানান তিনি।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক মো. আনিছুর রহমান বলেন, সোমবার সকাল থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণে কচ্ছপিয়া ষ্টীল ব্রীজের নিচে তিন বার পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দায়িত্ব পালন করছে আনসার সদস্যরাও। বিকেলে নিজেই বাজার পরিদর্শন করেছি। তবুও বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা আমাদের রামু ডটকম কে বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে রামুর হাট বাজারগুলো খোলা মাঠে সরিয়ে নিতে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গর্জনিয়া বাজার নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করবে।