চকরিয়ায় চেকপোষ্ট বসিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

এ.এম হোবাইব সজীব, চকরিয়া:
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগ ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জধীন চকরিয়ার নলবিলা বিট কাম চেকপোষ্টে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতায় রাতারাতি উজাড় হচ্ছে নলবিলা সংরক্ষিত বনাঞ্চল বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে নলবিলা চেক পোষ্ট নিয়ন্ত্রণাধীন বনাঞ্চল সাবাড় করে দিতে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই যথেষ্ট বলে মন্তব্য করছেন সচেতন এলাকাবাসী।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৭/৮ মাস আগে ওই বিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসার পর থেকে এ ধরনের কর্মকান্ড অব্যাহতভাবে চলছে এমনও অভিযোগ এলাকাবাসীর। একদিকে চকরিয়া উপজেলার নলবিলা চেক পোষ্ট কর্তৃপক্ষ ঢেঁকিকল বসিয়ে প্রতিনিয়ত কাঠপাচারকারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে চলছে। ফলে জমে উঠছে নলবিলা বিট কাম চেকপোষ্টে প্রতিমাসে কোটি টাকার বাণিজ্য।

অন্যদিকে কাঠচোরদের সাথে আঁতাত করে পরিকল্পিত মাদার ট্রি সহ মূল্যবান বৃক্ষসমূহ কেটে নিধনযজ্ঞে মেতে উঠেছে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। যাদের হাতে বন বাগান উজাড় হয়ে যাচ্ছে, সেখানে বন রক্ষার ক্ষেত্রে তারা (কর্মকর্তা-কর্মচারীরা) কি বা ভূমিকা রাখবে? এমন প্রশ্নেরও উদয় হচ্ছে সচেতন মহলের মাঝে। এমন সাধু কর্মচারীরা ভদ্রবেশে কাঠপাচারের সাথে সক্রিয় হয়ে উঠায় সচেতন মহল বলছেন ওরা কি বন রক্ষক, নাকি ভক্ষক, এরা কারা নলবিলা চেকপোষ্টে! বনদস্যু কৃর্তক এভাবে গাছ কাটা অব্যাহত থাকলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে বলে আশংকা করছে পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তবে এসব পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জনসচেতনতা বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নিলেও বনবিভাগের পাহাড়সম দুর্নীতির বিষয়ে সোচ্ছার প্রতিবাদ জানাতে কোন দিনের জন্য মাঠে নামতে পরিলক্ষিত হয়নি।

আইপ্যাক, নিঃস্বর্গ ক্লাসিক্যাল নাম প্রদর্শন করে বনবিভাগ আওতাভূক্ত দাবিদার এসব সংগঠন বনবিভাগকে প্রকারভেদে অসাধু কর্মকান্ডে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে বলে সূত্রে প্রকাশ।

এব্যাপারে ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা এবি এম জসিম উদ্দিনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি তদন্তপূর্বক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।