টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন আমদানি ও রপ্তানি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার পণ্য: এক বছরে রাজস্ব আয় ৭১ কোটির অধিক

গিয়াস উদ্দিন ভুলু , টেকনাফ:
টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিনিয়ত রাজস্বের উর্ধ্বগতি বেড়েই চলছে। টেকনাফ এই স্থলবন্দরটি প্রতিষ্টিত হওয়ার পর থেকে ব্যবসায়ীরা আমদানি, রপ্তানি করে বাংলাদেশ সরকার আয় করেছে হাজার হাজার কোটি টাকা।

টেকনাফ স্থলবন্দর সুত্রে জানা যায়, এই বন্দর দিয়ে প্রতিদিন বাংলাদেশের তৈরী বিভিন্ন প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানি করে ব্যবসায়ীরা আয় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এই পণ্য গুলো রপ্তানি হওয়ার পর সরকারের রাজস্ব আয়ও বেড়েই চলছে। ঠিক একই নিয়মে পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে কাঠসহ বিভিন্ন প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল আমদানি করছে ঢাকা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার ও টেকনাফের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের প্রতিদিনের আমদানি ও রপ্তানিতে প্রতি মাসে টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে বাংলাদেশ সরকার রাজস্ব পাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। গত ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে বলে জানা গেছে। যা টেকনাফ স্থলবন্দর প্রতিষ্টিত হওয়ার ২১ বছরের রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সুত্রে আরো জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর টেকনাফ স্থল বন্দর কাস্টমসকে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জন্য টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় বার্ষিক বাজেট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছিল এক বছরে ৭০ কোটি টাকা। সেই লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করে টেকনাফ স্থল বন্দর কাস্টমস সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে সর্বমোট রাজস্ব আয় করেছে ৭১ কোটি ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। যা নির্ধারিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা বেশি।

২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে টেকনাফ স্থল বন্দর মিয়ানমার থেকে আমদানি করা হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৬০ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের ৬১ হাজার ৭৫৭ মেট্রিক টন পণ্য সামগ্রী। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৩৭ কোটি ৯৯ লক্ষ ৬ হাজার টাকা মূল্যের ৫ হাজার ১০১ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য।