টেকনাফে অপরাধ কর্মকান্ড ও সন্ত্রাস দমনে চলছে মালিক-ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

গিয়াস উদ্দিন ভুলু , টেকনাফ:
টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় চলছে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম। কারণ সারাদেশে জঙ্গী তৎপরতা, সন্ত্রাস বেড়ে যাওয়া, বোমা হামলা, পুলিশ সদস্যদের হত্যা, রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকায় এক সাথে ২০ জন বিদেশী নাগরিককে হত্যা, বন্ধুক যুদ্ধে ৬ জঙ্গী নিহত হওয়ার ঘটনায় সারাদেশের সাধারণ মানুষ শংকিত হয়ে পড়েছে।

সেই আশংকায় জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ২৭ জুলাই এর মধ্যে বাড়ির মালিক তাহাদের বাসা/বাড়ি ভাড়াটিয়াদের নাম ঠিকানা তাদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে তথ্য দেওয়া জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তাই গত কয়েক দিন ধরে টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির মালিকদের নাম, ভাড়াটিয়াদের নাম ঠিকানা, ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ, মোবাইল নম্বর, পাসপোর্ট নং ইত্যাদি স্থানীয় থানা কর্তৃক সরবরাহকৃত নির্ধারিত নিয়ম মোতাবেক পূরণ করে থানায় জমা দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় উপজেলা ও পৌর কর্তৃূপক্ষ।

এদিকে টেকনাফ পৌরসভার মেয়র হাজী মো: ইসলাম আমাদের রামু ডটকমকে জানান, টেকনাফ পৌরসভার বিভিন্ন ভাড়াবাসার মালিক ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করতে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ির মালিক ও ভাড়াবাসার মালিকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের ফরম সংগ্রহ করে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। এবং পৌর এলাকার সব ভাড়াবাসার মালিকদের ডেকে এনে আগামী ২৭ জুলাই এর মধ্যে সঠিকভাবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সব তথ্য সংগ্রহ করে জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মজিদ আমাদের রামু ডটকমকে জানালেন, ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহে কোন ভাসাভাড়ার মালিক যদি ভুল তথ্য প্রধান করলে সেই সমস্ত মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিশ্চিক টেকনাফ বিভিন্ন বাড়ির মালিক, ভাড়াটিয়া ও সচেতন মহল দাবি করেন বলেন, প্রকৃতপক্ষে টেকনাফের বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের মধ্যে বেশিভাগ পরিবার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দোকানদার ও বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ। তার পাশাপাশি পৌরসভার বিভিন্ন অলিতে গলিতে নাম ঠিকানা বিহীন যে সমস্ত ভাড়াবাসা গুলো রয়েছে এই ভাড়াবাসা গুলোর বেশিরভাগ লোক হচ্ছে মিয়ানমার থেকে আসা অবৈধ রোহিঙ্গারা।

তাই আমাদের দাবি সঠিক তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার এলাকার সাধারণ মানুষ অপরাধ কর্মকান্ড ও হত্যাকান্ড থেকে মুক্তি পাবে।