সরকারি প্রাথমিকের অনেক শিক্ষক দক্ষতায় পিছিয়ে

অনলাইন ডেস্কঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষককে মানসম্মত করে তোলা সম্ভব হয়নি। তাদের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার জন্য শিক্ষাতরী কার্যক্রমের ওপর সম্প্রতি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশনা উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি, বাংলাদেশ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নে বর্তমান সরকার অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় দারিদ্র্যতা ও যোগাযোগ প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও সরকার শিক্ষা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে চলেছে।

তিনি বলেন, আগে নিয়োগ হওয়া কিছু শিক্ষক এখনও গতানুগতিক পদ্ধতিতে পাঠদান করাচ্ছেন। এখনও এসব শিক্ষকদের মানসম্মত করে তোলা সম্ভব হয়নি। সে কারণে নানা চেষ্টার পরও প্রাথমিক শিক্ষা থেকে কাঙ্ক্ষিত সফলতা আসছে না। তবে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে তোলা হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর করার জন্য দেশের ৮০টি বিদ্যালয়ে ‘গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের গাণিতিক দক্ষতা বৃদ্ধির সম্ভাব্যতা যাচাই’ শীর্ষক প্রকল্প সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, খেলার ছলে শিক্ষার্থীদের গণিত শেখানোর এই বিশেষ পদ্ধতিটি দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন চালু করা হবে। মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকার ১৬টি উপজেলার ২ হাজার ১৬৬টি বিদ্যালয়ের ৪ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে সারা দেশে এ কার্যক্রম চালু করা হবে। এতে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি ও পুষ্টিমান বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি বাংলাদেশ কর্তৃক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে লব্ধ অভিজ্ঞতা শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় সহযোগী হবে।

সূত্রঃ জাগোনিউজ