কিছু কথা- পুরুষালী

তানভীর নওশাদ তান্না:

সব ছেলেই ‘পুরুষ’ হয়ে ওঠে একদিন না একদিন।
যদি আয়ুষ্কালে থাকে অন্ততঃ তিরিশ।
যদি একটা চাকরি বাঁচে দুনিয়া’র কার্যদিবসে।

যখন গোঁফ-দাড়িরা আরেকটু পোক্ত হয়,
টাক পায় না সামিয়ানা,
অপূর্ব যে সময়টাতে ঠিক-ঠিক মানিয়ে যায় ভুঁড়িও।

বলতে গ্যালে কখনো ফুরায় না-
সে এক বিরাট ‘খানদানী সাইন’!

যাদের হরমোন দ্বিধাগ্রস্থ,
তারা ব্র্যান্ডেড ঘড়ি নিয়ে সেড়ে ফেলে ব্যক্তিত্বের সাজ।
আর সেখানে ‘সর্ববিদ্যাবিশারদরূপী চশমা খুবই যায়,
যেখানে ‘অ্যাটিটিউড’ সামলে নেয় ‘প্রাক-উপসংহার’।

এত্তকিছু লাগেনা,
যদি একটা ‘মেয়ে’ মাথায় ঘোরে।
যে ব্যস্ত মোবাইল-বোতামে, ছেলেটার খোঁজ নিতে।
যে ন্যাস্ত নিজের রুমে, তাদের স্বপ্ন নিয়ে,
ফেলে রেখে চুল- বটি’র সংসার,
যখন গোটা পরিবার যার যার গপ্পে।
সব মেয়ে ‘মেয়ে’-ই থেকে যায় ঐ একটা ছেলের জন্যে।

 


 

মৌলবাদের শহর-মুল্লুকে খুব একটা কেতাদুরস্থ হইতে নাই

অধুনা বাতাসে বৃটিশ শার্ট
কিংবা পাঞ্জাবিতে বুকের কপাট
একইভাবে শেখাবে
সত্যি শহরের ভাবুক আচরণ।
তারপরেও বেকুব-কায়ায় ঘামের লবণ।

হাঁটতে শেখা ভালো চিলেকোঠার জমিন ঘেঁষে
বলা কথা শুনতে ভালো
সলতে আলোয়
উঁকি মেরে চড়ুইয়ের কার্নিশে।

সেইদিনও তোমার শাড়িটির নাম- প্রেমিকার পরিধান।
সেইদিনও বিতর্কিত দাগ আমার পাঞ্জাবিতে।

 


 

ওসবের পুরোটাই মেন্টাল

“এইখানে
খুব যতনে
রহিয়াছে পড়ি
কলমচারী।”

এই ‘লিখনেঅলা’র ব্যাপারটা পরোক্ষই থেকে যাক-

তার কিছু বলতে চাওয়ার বাঁহাতি- স্বভাব,
পাঠক বানানোর আলগা খাটনি
আর তারই গাঠণিক তত্ত্ব’ নিয়ে বেশিরকমের ঘাঁটাঘাটি।

আর ওসব বাকী কথায় নড়তে হয়।
আর ওসব বাসি কথায় চড়তেও হয়।

স্বপক্ষ সমর্থনে সম্ভাব্য সমাধান-
‘আরে… ওসব কোন মেটাফর নয়।
মানসাঙ্কের তাগিদ তো ভেতর থেকেই আছড়ায়!’

******************************************************************************************************************

লেখক: তানভীর নওশাদ তান্না । জন্মঃ ১৮ জানুয়ারী, ১৯৯০, চট্টগ্রামে । এম.বি.এ, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ।

বি.বি.এ, মার্কেটিং । একটি বাংলাদেশী প্রাইভেট কোম্পানিতে ‘ব্র্যান্ড ও বিপণন নির্বাহী’ হিসেবে কর্মরত ।