বিনা বেতনেও আর্জেন্টিনার কোচ হতে রাজি মারাদোনা

কোপা আমেরিকার শতবর্ষী আসরের ফাইনালে চিলির কাছে হেরে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এর কয়েক দিন পর কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান আর্জেন্টিনাকে ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে তুললেও শিরোপা জেতাতে ব্যর্থ হওয়া জেরার্দো মার্তিনো।

অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা দলের দায়িত্বে থাকবেন দেশটির ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য হুলিও ওলার্তিকোয়েচেয়া।

জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) মূলত আতলেতিকো মাদ্রিদের দিয়েগো সিমেওনের কথা ভাবছে।

আর্জেন্টিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক মারাদোনা ফক্স স্পোর্টসকে বলেন, “আর্থিক কারণে সিমেওনে চাকরিটি নিয়ে আগ্রহী ছিল না। অর্থ আমার জন্য কোনো বিষয় না। আমি বিনা পয়সাতেই জাতীয় দলের কোচ হতে পারি।”

“অনেক লোককেই ভাবতে দেখা যায়, আমি দামি একজন কোচ। কিন্তু মরিনিয়ো তাহলে কী? আর আনচেলত্তি বা সিমেওনে? এই সব কোচদের তুলনায় আমি কতটা দামি তা জানি না।”

৫৫ বছর বয়সী মারাদোনা এর আগে ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কোচ ছিলেন। ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে মারাদোনার দল বিদায় নেয়। আর্জেন্টিনা দলেও তার কোচিং-অধ্যায় শেষ হয় তখন।

২০১১ সালে দুবাইয়ের ক্লাব আল ওয়াসলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মারাদোনা। পরের বছর তিনি বরখাস্ত হন। সেই থেকে কোচিংয়ের বাইরেই আছেন। তবে আবার কোচিংয়ে ফিরতে চান তিনি।

“আমি কোচিংটাকে আরও বেশি করে ‘মিস’ করতে শুরু করেছি। আমি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করা আর সাংবাদিকদের সঙ্গে লড়াই করা ‘মিস’ করছি।”

বিডিনিউজ