বাইশারীর বয়স্করা এবার ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলেন: দীর্ঘ ১২ মাস যাবৎ বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন না !

আব্দুল হামিদ, বাইশারী:
ঈদের আনন্দ শিশু কিশোর থেকে শুরু করে আবাল বৃদ্ধা সকলেরই জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ১২ মাস যাবৎ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বৃদ্ধরা বয়স্ক ভাতা না পাওয়ায় এবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাইশারী ইউনিয়নে ৩৬৬ জন বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা কৃষি ব্যাংক বাইশারী শাখা থেকে বয়স্ক ভাতা উত্তোলন করে থাকেন। কিন্তু ব্যাংক ম্যানেজার রশিদ আহমদ বলেন, এলপিও ঢাকা থেকে এ্যাডভাইজ না আসাতে ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও তিনি ভাতা দিতে পারছেন না।

ব্যাংক কর্মকর্তা আরও বলেন বয়স্ক ভাতার জন্য এলপিও ঢাকায় ১৫ই জুন ২০১৬ ইং স্মারক নং- ৬৪৮, ২৬ শে এপ্রিল ২০১৬ইং, স্মারক ৫৬৩ মূলে দুটি চিঠি পাঠিয়েছেন ডাক বিভাগ ও কুরিয়ার যোগে। তারপরও কোন ধরণের উত্তর না পাওয়ায় বয়স্কদের ভাতা দিতে পারছেন না।

বয়স্ক ভাতা প্রাপ্তদের মধ্যে মোঃ ওসমান গণি, মোস্তফা খাতুন, আব্দুল জব্বার, সোলতান আহমদ, আব্দুর রহমান, মোঃ সালেকসহ অনেকে আমাদের রামু ডটকমকে বলেন, এবার তারা বয়স্ক ভাতা না পাওয়ায় ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বয়স্ক ভাতার টাকা নিয়ে নতুন কাপড় পড়ে ঈদের যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও তারা পারেননি।

সমাজ সেবা অধিদপ্তরে মাঠ কর্মকর্তা নুরুল আবছার আমাদের রামু ডটকমকে বলেন, তিনি বয়স্ক ভাতার বিষয়টি নিয়ে কৃষি ব্যাংক ঢাকা অফিস এলপিওতে গিয়ে বলে আসার পরও কোন কাজ হয়নি।

কৃষি ব্যাংক বান্দরবানের রিজিওনাল ম্যানেজার (আরএম) আশরাফুলের নিকট বিষয়টি নিয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

কৃষি ব্যাংক চট্টগ্রাম বিভাগীয় জিএম মাধব দাশ কুন্ডের নিকট মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে দেখে তড়িৎ ব্যবস্থা নিবেন বলে আমাদের রামু ডটকমকে জানান।

এ বিষয়ে কৃষি ব্যাংক ঢাকা এলপিও ডিজিএম এর নিকট মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।