বর্ণাঢ্য ওপেনিং পার্টি দিয়ে পর্দা উঠলো বিশ্বকাপের

ক্রীড়া ডেস্কঃ
গতানুগতিক ধারার বিপরীতে গিয়ে ভিন্ন স্বাদের এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজক ইংল্যান্ড। ক্রিকেট বিশ্বকাপের কোনো স্টেডিয়ামে নয়, সাধারণ কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও নয়, সেন্ট্রাল লন্ডনের দ্য মলে আয়োজন করা হয়েছে এই ওপেনিং পার্টির। পেছনে বাকিংহ্যাম প্যালেসকে রেখে তার সামনে আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠানের।

প্রায় ৪০০০ দর্শক, আমন্ত্রিত অতিথি ক্রিকেটীয় এবং নন-ক্রিকেটীয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের। প্রায় এক ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানটি সাজানো ছিল নানা সঙ্গীতানুষ্ঠান, নাচ, খেলাধুলার বিশেষ পারদর্শীতা এবং ১০ দলের অধিনায়কের পরিচিতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

৪০০০ দর্শক সরাসরি উপভোগ করতে পেরেছে এই অনুষ্ঠান। এছাড়া ওপেনিং পার্টি সরাসরি সম্প্রচার করা হয় সারা বিশ্বের ক্রিকেট সমর্থকদের জন্য। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের পরিকল্পনা এবং উপস্থাপনায় আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠানটি। তাকে সহযোগিতা করেন ভারতীয় শিল্পী শিবানি ডান্ডেকার এবং কমেডিয়ান প্যাডি ম্যাকগুইনেস।

ওপেনিং পার্টির আগে রাজ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ১০ দলের অধিনায়করা। এরপরই ১০ অধিনায়ক এসে উপস্থিত হন ওপেনিং পার্টিতে। এরপরই কথা বলেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, ‘অসাধারণ ভালবাসার একটি মুহূর্ত। বিশাল ফ্যানবেজ এরিয়া। এ ধরনের অনুষ্ঠানে চাপ বাড়ে। আবার এটা গৌরবেরও। আশা করি, আমরা দর্শকদের ভালোবাসার এই সুবিধাকে কাজে লাগাতে পারবো।’

বিরাট কোহলির কথা শেষ হওয়ার পরই শুরু হয় ৬০ সেকেন্ড চ্যালেঞ্জ। প্রতি দলের একজন করে সাবেক ক্রিকেটার এবং একজন প্রতিনিধি এই চ্যালেঞ্জে অংশ নেন। ভারতের বিরাট কোহলি এবং অভিনেতা ফারহান খান সবচেয়ে কম মাত্র ১৯ রান করতে সক্ষম হন।

সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেনের দল। অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লিরা করেন ৬৯ রান। মাত্র ৫ রানে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ৬০ সেকেন্ডর চ্যালেঞ্জ জিতে নিলো ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে চ্যালেঞ্জে অংশ নেন সাবেক ক্রিকেটার আবদুর রাজ্জাক এবং অভিনেত্রী জয়া আহসান।

৬০ সেকেন্ডর চ্যালেঞ্জের পর স্টেজে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে এসে উপস্থিত হন ২০১৫ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক এবং সাবেক ইংলিশ স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান। এর পর বক্তব্য রাখেন পাকিস্তানের নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই। নারী ক্রিকেট এগিয়ে নেয়ার কারণে আইসিসিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এরপরই শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। গান পরিবেশনা এবং নাচের অনুষ্ঠান। আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯ এর থিম সং স্ট্যান্ডবাই নিয়ে হাজির হন লোরিন এবং রুডিমেন্টাল।

সূত্রঃ জাগোনিউজ