কক্সবাজারে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মানব পাচারকারী ও এক সন্ত্রাসী নিহত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :
কক্সবাজার:কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলি ও টেকনাফের শাপলাপুর মেরিন ড্রাইভ সড়কে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে এক চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুই রোহিঙ্গা মানব পাচারকারী নিহত হয়েছেন।

প্রতীকি ছবি

গতকাল সোমবার (১৩ মে) গভীররাতে এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা হলেন, কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার জহির হাজির ছেলে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ‘ভুলু’ ও টেকনাফ শামলাপুর ২৩ নং রোহিংগা ক্যাম্পের আব্দুর রহিমের ছেলে মানব পাচারকারী আজিম উল্লাহ (২২) ও উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর রোহিংগা কাম্পের মৃত রহিম আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৫২)।

কক্সবাজার মডেল থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তি মতে ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ‘ভুলু’কে নিয়ে কাটা পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে তার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

তিনি জানান, পরে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে সময় ঘটনাস্থল থেকে চারশো পিস ইয়াবা ট্যাবলেট,একটি দেশীয় তৈরী বন্দুক, দুই রাউন্ড ত কার্তুজ ও ৬ টি খালি খোসাসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভুলুকে উদ্ধার করা হয়। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য ছৈয়দুল মোস্তফা ‘ভুলু’ কক্সবাজার শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী। শহরের পূর্ব পাহাড়তলী এলাকায় সশস্ত্র শক্তিশালী বাহিনী গঠন করে দীর্ঘদিন ধরে সে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। ভুলুর মৃত্যুর সংবাদে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

অন্যদিকে কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মানবপাচারকারী নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (১৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাপলাপুর মেরিন ড্রাইভ সড়কে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, নিহত দু’জনই রোহিঙ্গা মানবপাচারকারী। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি দেশীয় তৈরী অস্ত্র ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় টেকনাফ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জহিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মোবারক হোসেন, খাইরুল ও মানিক মিয়া আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।