নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, ১ জন ভারতীয় ও ৩ জন বাংলাদেশি

গুলশান হামলায় নিহত ২০ জনের নাগরিকত্ব ও পরিচয় পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ১৭ জন বিদেশি ও ৩ জন বাংলাদেশি।  বিদেশিদের মধ্যে ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি ও একজন ভারতীয়। বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছিলেন। নিহতদের  পারিবারিক সূত্র ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাস এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নিহত ১৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেলেও রাত ১০টা পর্যন্ত জাপানি ৭ জনের নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি দেশটির দূতাবাস।

এদিকে বাংলা ট্রিবিউনকে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আইএসপিআর এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশিদুল হাসান। তিনিও জানান, নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানী, একজন ভারতীয়, একজন আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশি  এবং বাকি দু’জন বাংলাদেশি।

এদিকে ঢাকা ট্রিবিউন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে রয়েছেন ফারাজ আইয়াজ হোসেন, তিনি এসকায়েফ-এর সিইও সিমীন হোসেনের ছেলে এবং ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম লতিফুর রহমানের নাতি। পরিবারের পক্ষ থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহত অন্য বাংলাদেশি হচ্ছেন ইনস্টিটিউট অব এশিয়ান ক্রিয়েটিভস (আইএসি)-এর শিক্ষার্থী ইশরাত আকন্দ। সহপাঠীরা  তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।

f6dcb6f40a6c3e030475d022c6846a56-5777adc068f5f

নিহত অপর আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশি হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইমোরি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী অবিন্তা কবীর। তিনি এলিগ্যান্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান রুবা আহমেদের কন্যা। পরিবারের পক্ষ থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। অবিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে থাকতেন। তিনি ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে ভারতীয় নাগরিক তারিশি জৈনের (১৯) পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহত তারিশি’র বাবার নাম সঞ্জীব জৈন। তিনি ঢাকার আমেরিকান স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহত ৯ ইতালীয় নাগরিক হলেন আদেলে পুগলিসি, মারকো তোন্দা, ক্লদিয়া মারিয়া ডি’আন্তোনা, নাদিয়া বেনেদেত্তি, ভিনসেঞ্জো ডি’আলেস্ত্রো, মারিয়া রিভোলি, ক্রিস্তিয়ান রসি, ক্লদিয়া কাপেলি এবং সিমোনা মন্তি।

এদিকে, জাপান সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা নিহতদের মধ্যে সাত জাপানি রয়েছেন বলে নিশ্চিত করলেও তাদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি।

[বাংলা ট্রিবিউন]