ঈদ বাজার: চকরিয়ায় শেষ সময়ের ঈদের কেনাকাটার ধুম লেগেছে

এ.এম হোবাইব সজীব:
আর মাত্র ২/৩ দিন পরেই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে গোটা দেশ। ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে চকরিয়ার পৌর শহরের চিরিংগা বিপনীবিতান থেকে শুরু করে ফুটপাত গুলোতে এখন চলছে কেনাকাটার হিড়িক। ঈদকে সামনে রেখে চকরিয়াও তার পার্শ্ববর্তী উপজেলা মহেশখালী, লামা, কুতুবদিয়া পেকুয়ার উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্ম আয়ের মানুষ সবাই এখন কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চিরিংগা পৌর শহরে। ক্রেতা আকর্ষণে চিরিংগা পৌর শহরে শপিংমলগুলোতেও করা হয়েছে আলোকসজ্জা।

চকরিয়া পৌর শহর ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা সমাগম থাকায় চিরিংগার বিপনী বিতান গুলো এখন মধ্যরাত পর্যন্ত খোলা থাকছে। ধুম লেগেছে কেনাকাটার। চকরিয়া পৌর শহরের ওশান সিটি, সিটি সেন্টার, আনোয়ারা শপিং কমপ্লেক্স, নিউ মাকের্ট, রূপালী শপিং কমপ্লেক্স, রওশান মাকের্ট, হাজেরা শপিং সেন্টার, রূপজাহান প্লাজা, বাবুল শপিং কমপ্লেক্স, সোসাইটি মাকের্ট, সমবায় সমিটি মাকের্টে রয়েছে ছোট-বড় অন্তত এক হাজার পোশাক ও পাদুকার দোকান।

প্রতিটি দোকানে এখন উপচেপড়া ভিড়। কথা হয় নিউ মাকের্টে কেনাকাটা করতে আসা চকরিয়ার জিদ্দাবাজার এলাকার বাসিন্দা মোবাশ্বেরা বেগমের সঙ্গে। তাঁর হাতভর্তি নানা পোশাকের প্যাকেট। তিনি বলেন, নিজের শাড়ি ও পরিবারে ছোট-বড় সবার জন্য ইতিমধ্যে ২৫ হাজার টাকার পোশাক কিনেছেন। এখনো কিছু বাকি আছে।

হাজেরা শপিং সেন্টারের মনে রেখ ক্লথ ষ্টোরের মালিক নুরুল ইসলাম বলেন, প্রতদিন গড়ে দুই থেকে তিন লাখ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শেষ মূহুর্তে এসে বিক্রি আরও বাড়ছে। দোকানিরা বলেন, মেয়েদের শাড়ি এবার বিক্রি বেশি কাতান, জামদানি, মসলিন ও সূতি। তরুনীদের পছন্দ লেহেঙ্গা ও সালোয়ার-কামিজ। ছেলেদের চেয়ে নারীদের ভীড় লক্ষনীয়। তবে বেশির ভাগ ক্রেতার আগ্রহ ভারতীয় পোশাকে।

প্রশাসনের পক্ষে থেকে নিরাপত্তায় চকরিয়া পৌর শহরের বিপনীকেন্দ্র গুলোতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশের পাহারা বসানো হয়েছে।