ছলনা আর হবে না রওশনের সঙ্গে, আশা হাসিনার

রওশনকে রেখে এরশাদের আরও স্ত্রী গ্রহণ এবং জাতীয় পার্টিতে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের দিকে ইঙ্গিত করে এই আশাবাদ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।

বুধবার সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষকদের ওপর কর আরোপ করার সমালোচনা করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’ছল’ ও ‘দুই বিঘা’ এবং জসীম উদদীনের ’ও বাজান চল যাই চল’ কবিতার কিছু পঙক্তি উদ্ধৃত করেন রওশন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতায় সেই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের বিরোধীদলীয় নেতা অনেকগুলো কবিতা আউড়িয়েছেন। এজন্য তাকে সাধুবাদ জানাই।

“তবে একটি কবিতা সম্পর্কে আমি বলতে চাই। উনি বলছেন, ‘বুঝি গো আমি বুঝি গো তব/ছলনা/যে কথা তুমি বলিতে চাও/সে কথা তুমি বল না’।”

বাংলার শিক্ষার্থী শেখ হাসিনা লাইনগুলি উচ্চারণ করে বলেন, “মনে হয় এই কবিতাটা উনি উনার বাঁ দিকে যিনি বসে আছেন, তার দিকে তাকিয়ে বললে ভালো হত।”

বিরোধীদলীয় নেতা রওশনের বামের আসনে থাকা এরশাদ তখন হেসে ওঠেন। আর রওশন টেবিলে চাপড়ান। এক সময় এরশাদ ও রওশন দুজন দুদিকে তাকিয়ে হেসে ওঠেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি উনি কাকে উদ্দেশ্য করে কবিতাটি বলছেন। পরে ভাবলাম এরশাদ সাহেবকে উদ্দেশ্য করেই হয়ত বলছেন। আমি আশাকরি, এরশাদ সাহেব ভবিষ্যতে আর কোনো ছলনা করবেন না।”

শেখ হাসিনার এ কথার পর অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত সকলেই হেসে উঠে টেবিল চাপড়ান।