টেকনাফে ১২ দিনব্যাপী কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

আব্দুস সালাম, টেকনাফ:
ইউএনডিপির উদ্যোগে টেকনাফ উপজেলায় কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে ১২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

গতকাল ৭ এপ্রিল বিকালে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন হোটেল সেল্ট্রাল রিসোর্টে কমিউনিটি রিকভারি রেসিলেন্স প্রোডাক্টস, ইউএনডিপির সহযোগীতায় টেকনাফ উপজেলা, হ্নীলা ইউনিয়ন,সাবরাং ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি আলহাজ¦ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে পৌর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

১২দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দিয়েছেন ইউএনডিপি সংস্থার কনসালটেন্ট ছৈয়দ আহমদ ফয়সাল, জেলা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর খালিদ এরশাদ। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএমএস দোহা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-পরিদর্শক বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া,উপ-পরিদর্শক সাব্বির। উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম,শাহপরীরদ্বীপ কমিউনিটি ইউনিটের সভাপতি সোনা আলী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি/সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ।

টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত)এবিএমএস দোহা বলেন,কমিউনিটি পুলিশিং এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পুলিশ এবং কমিউনিটির লোকজন একসাথে মিলে অপারাধ নিয়ন্ত্রণ করে অপারাধীদের গ্রেপ্তার করে এবং আইন শৃংখলা বজায় রাখা। এ প্রক্রিয়াটি কমিউনিটি ভিত্তিক স্ব-উদ্যোগে অপারাধ সংক্রান্ত সমাধানে কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে।

ইউএনডিপি সংস্থার ট্রেনার ছৈয়দ ফয়সাল আহমদ বলেন, গত ২৭ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের ৭৫ জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।তাঁর মধ্যে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, বাহারছড়া ইউনিয়নের ৭৫ জন তরুন-তরুনীকে প্রশিক্ষণ দেয় হয়েছে। তরুন-তরুনীদের নেতৃত্বের গুণাবলী ও দক্ষতা সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং কি ও পুলিশিংয়ের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, দায়িত্ব, ফোরাম সদস্যদের ভূমিকা, সিপিএফের ভূমিকা, নৈতিকতা, কৌশল, সহিংসতা প্রতিরোধ,মাদক,মানব পাচার,শারীরিক মানষিক যৌন নির্যাতন, সহিংসতা নির্যাতনের ধরন, মবিলাইজেশন, নারীর বয়স-ভিত্তিক জেন্ডার, বৈষম্যের ক্ষেত্র, জেন্ডার বৈষম্য, জেন্ডার সংবেদনশীলতা, সেক্স, এলাকার চিহ্নিত সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য কর্মপরিকল্পনাসহ এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রশিক্ষণ শেষে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করার জন্য প্রতি ইউনিয়নে তরুন-তরুনীদের নিয়ে ৩টি কমিটি গঠন করা হয়।