খুনিয়াপালংয়ে কারামুক্ত যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান সংবর্ধিত ॥ ষড়যন্ত্রকারিদের শাস্তি দাবি

সোয়েব সাঈদ:
রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে ইউপি নির্বাচনে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান ১৫দিন কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেছেন।

গত ৪ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ছাব্বির আহমদকে ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে পরাজিত করার চেষ্টার প্রতিবাদ জানালে পুলিশের গুলিতে আহত হন মিজানুর রহমান সহ নিরীহ লোকজন। ওই ঘটনার সময় ষড়যন্ত্রকারি প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর লোকজন সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে মিজানুর রহমানকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালায়। এরই অংশ হিসেবে মিজানুর রহমানকে পুলিশ গ্রেফতার করলে এলাকায় ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠে।

১৫দিন কারাভোগের পর মুক্তি পাওয়া খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানকে বরণ করে নিয়ে গতকাল সোমবার ৫ শতাধিক গ্রামবাসী গাড়িবহর নিয়ে রামুর বাইপাসে যান। সেখানে মিজানুর রহমানকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে খুনিয়াপালং এর দারিয়ারদিঘী গ্রামে নিয়ে আসা হয়।

সোমবার দুপুরে সেখানে এ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি ও নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ।

এতে স্বাগত বক্তব্যে কারামুক্ত যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের ভালোবাসার এ ঋণ আমি কখনো শোধ করতে পারবো। মানুষের ভালোবাসা ছিলো বলেই আমি আবারো আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পেরেছি।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, মারকাযুল হুদা আল ইসলামী মাদরাসার মহতামিম মাওলানা কেফায়েত উল্লাহ, মাওলানা গোলাম ছোবহান, হাজ্বী মোজাফ্ফর আহমদ, মিজানুর রহমানের বাবা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী আলহাজ্ব ছাব্বির আহমদ, যুবলীগ নেতা তোফাইল আহমদ, মো. ইদ্রিস, আবু ছৈয়দ, রেজাউল করিম, মোকতার মিয়া, ফইজুল কবির, হাবিব উল্লাহ, আবদুল খালেক প্রমূখ।