২৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্কঃ
গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ২৮ হাজার ১৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জনিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ২০১৮ সালে ৬ কোটি ৯১ লাখ ২৯ হাজার ৩২৮টি ইয়াবা, ৪৫০ কেজি হিরোইন, ৬০ হাজার ৩৪৩ কেজি গাঁজা, ৭ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১ লাখ ৬১ হাজার ৩২৩ জনকে আসামি করে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮টি মামলা করা হয়েছে।

কুমিল্লা-৮ আসনের নাছিমুল আলম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, নিউ সাইকোট্রাফিক সাবসটেনসেস (এনপিএস) মাদক পৃথিবীর অনেক দেশে ব্যাপক বিস্তার লাভ করলেও বাংলাদেশে এই শ্রেণির মাদক এখনো বিস্তৃতি লাভ করেনি। বাংলাদেশে ‘ক্যাটামিন’ নামে এ শ্রেণির একটি ড্রাগের অপব্যবহার রোধে মাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মেডিকেল খাতে ব্যবহৃত এই ড্রাগের ব্যবহার সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এনপিএস বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সতর্ক রয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য মাহমুদ–উস–সামাদ চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জাতিসংঘভুক্ত ১৯৩টি দেশের মধ্যে ৫৮টি দেশে বাংলাদেশের ৭৭টি মিশন রয়েছে। এ ছাড়া ভারতের চেন্নাই ও রুমানিয়ার বুখারেস্টে মিশন চালু করতে প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

বিরোধী দলের সদস্য মসিউর রহমানের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনকূটনীতি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভিজিট বাংলাদেশ কর্মসূচিতে বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, উন্নয়ন ও এনজিওকর্মী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সুশীল সমাজের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তিদের বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য মনোনীত করা হয়। তাঁরা নিজ দেশে ফিরে গিয়ে নিজ নিজ মিডিয়ায় বাংলাদেশ বিষয়ে ইতিবাচক প্রবন্ধ ও নিবন্ধ প্রকাশ করে যা বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও দেশের বিরুদ্ধে প্রতিকূল প্রচার মোকাবিলায় ভূমিকা রেখে থাকে।