ড. কামালদের কথার কানাকড়ি দামও নেই: কাদের

অনলাইন ডেস্কঃ
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ড. কামাল হোসেনরা তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। তাদের কথার কানাকড়ি দাম নেই। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের কাছে অভিযোগ করলেও কেউ তাদের পাত্তা দিচ্ছে না।

বুধবার রাজধানীর কাওলায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের বিরুদ্ধে যারা অপবাদ ছড়াচ্ছেন, জনগণের কাছে তাদের কানাকড়ি দাম নেই।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছেন। এর জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তদন্তে কোনো অসুবিধা নেই। সরকারের বাধা নেই, চিন্তাও নেই।’

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম অংশের কাজ শেষ হবে জুনে: বুধবার একই স্থানে ওয়ায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম অংশ বিমানবন্দর থেকে বনানী রেলস্টেশন পর্যন্ত আট কিলোমিটারের কাজ শেষ হবে আগামী জুনে। আর বনানী থেকে মগবাজার অংশের কাজ শেষ হবে জুলাইয়ে। পরের ধাপে মগবাজার রেলক্রসিং থেকে যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত অংশের কাজ শেষ হবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে।

রাজধানীকে যানজটমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের সবচেয়ে বড় প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ২০ শতাংশ। প্রথম অংশের কাজ শেষ হয়েছে ৫০ শতাংশ।

২০০৯ সালে গৃহীত এ প্রকল্প সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে করা হচ্ছে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল উড়াল সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে। তবে প্রকল্প এলাকা থেকে স্থাপনা অপসারণ না হওয়ায় সাড়ে চার বছর কাজ বন্ধ থাকে।

ওবায়দুল কাদের পরিদর্শনে গিয়ে জানান, আগামী আড়াই বছরে বাকি কাজ শেষ হবে। এক হাজার ৩০৪টি পাইল, ২৮০টি পাইল ক্যাপ, ৬২টি ক্রস-বিম, ১৬৩টি কলাম ও ১৮৬টি আই-গার্ডারের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ৮৪টি কলামের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক এএইচএম শাখাওয়াত আকতার, ইতাল-থাইয়ের ব্যবস্থাপক সাকসিথ সোয়ানাগার্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।