কৃত্রিম চিনির প্রভাব

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
বিকল্প ব্যবস্থা সবসময় ভালো নাও হতে পারে।

ক্যালরিমুক্ত এসব কৃত্রিম চিনির ক্ষতিকারক কয়েকটি দিক সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট।

১৮৭৮ সাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে স্যাকারিন। সেসময়ই থেকেই কৃত্রিম মিষ্টি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

‘জেনেটিক্যালি মডিফায়েড’
সুগার বিট, সয়া, এবং ভুট্টা থেকে এরিথ্রিটল, নিওটাম, অ্যাসপারটাম এবং সুক্রালোজ নামক কৃত্রিম চিনি তৈরি করা হয়। এসব ফসলের বীজ ‘জেনেটিক্যালি মডিফায়েড’ করা যা সাধারণত পোকামাকড়ে আক্রান্ত হয় না।

পানি দূষিত করে
শরীরের বিভিন্ন মারাত্বক পরিবেশে টিকে থাকার জন্য কৃত্রিম চিনি বিশেষ পন্থায় তৈরি করা হয়। এর ফলে তা দ্রুত গলে না। ২০০৯ সালে সুইডেনের গবেষকরা পরিশোধিত পানিতে ‘অ্যাসসালফেম কে’ ও ‘সুক্রালোজ’ নামক কৃত্রিম মিষ্টি খুঁজে পান। সাত ঘণ্টা ঘন ময়লা পানিতে ডুবিয়ে রাখার পরও এই কৃত্রিম মিষ্টি পানিতে সম্পূর্ণ গলে যায়নি। এই গবেষণার ৪ বছর পর কানাডার গবেষকরা বিভিন্ন পানি শোধনাগারে এই কৃত্রিম মিষির অস্তিত্ব খুঁজে পান।

ডায়বেটিস
যারা ডায়েট সোডা পান করেন তাদের টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায়। যারা ডায়েট সোডা পান করেন তাদের শরীরে এই ক্যালরি বিহীন পানীয়গুলোর কেনো অকার্যকর তার কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। হতে পারে তাদের খাদ্যাভ্যাস অথবা অন্য কোনো জৈবিক কারণ।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, যারা খায় না তাদের চাইতে ডায়েট সোডা পানকারীর ওজন বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একই গবেষণায় আরও দেখা যায়, সাধারণ সোডা পানকারীদের অতিরিক্ত ওজন হওয়ার সম্ভাবনা ডায়েট সোডা পানকারীদের তুলনায় কম।

খাওয়ার পরিমাণ বাড়ায়
মুখে খাবারের স্বাদ ও অনুভূতি দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ এবং শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালরির পরিমাণের সামাঞ্জস্যের উপর প্রভাব ফেলে। কৃত্রিম চিনিযুক্ত খাবার মুখে অন্যরকম অনুভূতির সৃষ্টি করে। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে
জিরো-ক্যালরি ধরনের মিষ্টি খাওয়ার কারণে শরীরে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় খাবারের প্রতি আসক্তি বেড়ে যেতে পারে। কৃত্রিম চিনি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন এবং সন্তুষ্টির অনুভূতি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।