পণ্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের ৮৬ তে পা রাখলেন

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু:

রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ,  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একুশে পদকে ভুষিত,  বহু গ্রন্থ প্রণেতা ও অনুবাদক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান সাংঘিক ব্যাক্তিত্ব, বাংলাদেশী বৌদ্ধ ভিক্ষুদের প্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার প্রাক্তন সভাপতি, উপসংঘরাজ পণ্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের মহোদয় ৮৬ বছরে পদার্পণ করেছেন। ১০ জুন ছিল তাঁর ৮৬তম জন্মদিন।

পণ্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের ১৯৩০ সালের ১০ জুন কক্সবাজার জেলাধীন রামু উপজেলার পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা হরকুমার বড়ুয়া এবং মাতা প্রেমময়ী বড়ুয়ার তিন পুত্র সন্তানের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠ পুত্রের নাম বিধু ভূষণ বড়ুয়া।

sattapriya_nirvana_3

১৯৫০ সালে যৌবনের ঊষালগ্নে বিধু ভূষণ বড়ুয়া সাংসারিক জীবন ত্যাগ করে প্রব্রজ্যা ধর্মে দীক্ষিত হন এবং সত্যপ্রিয় নাম ধারণ করেন। পরে একই বছরে তিনি পবিত্র ভিক্ষু ধর্মে দীক্ষিত হন।

ভিক্ষু জীবনের দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে জীবন সাধনায় আজ পণ্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের এক নন্দিত নাম। ভিক্ষু ধর্মে দীক্ষা নেওয়ার চার বছর পরে ১৯৫৪ সালে উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের জন্য তিনি মায়ানমার গমন করেন। সেখানে দীর্ঘ দশ বছর পঠনপাঠন, অধ্যয়ন, গ্রন্থ রচনা এবং সাধনায় কাটিয়ে দেন। ১৯৬৪ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। সেই থেকে রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ পদে আসীন আছেন।

sattapriya_nirvana_a
গত বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি সমাজ সেবায় একুশে পদক প্রাপ্ত হন।
এদিকে সত্যপ্রিয় মহাথের’র জন্মদিনের কথা মনে রেখেছেন রামু মেরংলোয়া গ্রামের যুব সমাজ। গতকাল সত্যপ্রিয় মহাথের ভারত থেকে ফিরলে পাড়ার যুব সমাজ তাঁকে জন্মদিন উপলক্ষে ফুল দিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা এবং শ্রদ্ধা  জ্ঞাপন করেন।
কোন আড়ম্বরতা ছাড়াই সত্যপ্রিয় মহাথের’র জন্মদিন পালিত হল।