রামুর জোয়ারিয়ানালায় নির্বাচনী সহিংসতায় শিশুসহ আহত ৭: এবার লাগাম টেনে ধরা জরুরী

 আমাদের রামু রিপোর্ট:

রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালায় নির্বাচনী সহিংসতায় শিশুসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। রবিবার, ৫ জুন রাত সাড়ে আটটায় জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের গর্জনিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রামু থানা পুলিশ এবং জোয়ারিযানালা ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গত ৪ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী সৈয়দা আকতার (মাইক) জানিয়েছেন, নির্বাচনে তিনি মাত্র ৪০ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। জয়ী হওয়া জয়নব আকতার কহিনুর এর নেতৃত্বে একদল উশৃংখল সমর্থক বিজয় মিছিল করার নামে সংঘবদ্ধ হয়ে তার (সৈয়দ আকতার) পক্ষে কাজ করায় আবদুল কাদের এর বাড়িতে হামলায় চালায়। হামলাকারীরা তারে ঘরের ভিতরে এবং সামনের ঘেরা-বেড়া ভাংচুর, পরিবারের সদস্য এবং বেড়াতে আসা মেহমানদের কুপিয়ে ও লাটিসোটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।

এতে আহতরা হলেন, ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ফারহানা আমিন (১০), মর্জিনা আকতার (১৬), রাফিয়া আলম (১২), আয়েশা বেগম (৫৫), শরীফা আকতার (২০), রুবিয়া আকতার (৩) ও আবদুল কাদের (৭৮)। স্থানীয় জনতা ঘটনার পর আহতদের রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেন।

হামলায় আহতরা জানান, তাদের বাড়িতে পুরুষ সদস্যরা না থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের মধ্যে টিটু, মোতাহের, সাহাব উদ্দিন, আজিম, ছোটন, বোরহান সহ শতাধিক ব্যক্তি অংশ নিয়েছেন।

এদিকে ঘটনাস্থলে আসা রামু থানার এসআই বিল্লাল ও জোয়ারিযানালা ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স এ ঘটনায় সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সংগঠিত এসব ঘটনার কারণে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে অনেকে আতংকে আছেন বলে জানা গেছে।প্রতিহিংসা মূলক এসব হামলার ঘটনা যাতে আর না ঘটে এজন্য উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।