চকরিয়ায় কোষ্টগার্ডের বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী,আন্দোলনের হুমকি

চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়া উপজেলার বদরখালীতে পুলিশের পর এবার বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে নেমেছে মহেশখালী জোনের বদরখালীতে অবস্থিত কোষ্টগার্ড।

দীর্ঘদিন যাবত ক্যাম্পের মেচ চালানোর অজুহাতে বেপরোয়া চাঁদা আদায় করছে বলে গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে সরকারী এ সংস্থাটির বিরুদ্ধে।

প্রতিনিয়িত চাঁদাবাজির কারনে অসহায় হয়ে পড়েছে সাগরে অবস্থিত জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন। চাঁদাবাজির রোষানলে পড়ে অসহায় হয়ে পড়েছে বদরখালী ঘার্টে নোঙর করা জেলার বিভিন্ন ফিশিং ভোট মালিকরা। তারা শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন ও মিজান।

ব্যবসায়ী মফিজ জানান, শনিবার দুপুর ২ টার সময় বদরখালী বাজারের বিজয় ফিশিং এর ম্যানেজার মোজাম্মেল হকের কাছ থেকে পোনা বিক্রি করতে হলে দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন কোষ্টগার্ডের সদস্যরা। তিনি চাঁদা দাওয়ার পর এক পর্যায়ে কোষ্টগার্ডের সদস্যদের সাথে কথা কাটাকাটির জের ধরে বিকেল ৩ টার সময় সাধারণ জনগণ ফুঁসে উঠে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি বেঘাত দেখে কোষ্টগার্ডের সিভিল টিমের সদস্যরা ক্যাম্পে চলে যায় বলে জানান সাবেক ছাত্র নেতা শেখ সালাহ উদ্দিন ও বদরখালী ছাত্রলীগের সভাপতি মনির উল্লাহ রাজু।

এব্যাপারে কোষ্টগার্ডের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বদরখালী জেলে সম্প্রদায় ও সচেতন নাগরিক কমিটির লোকজন। তারা বৃহত্তর আন্দোলনের ও হুমকি দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মহেশখালী জোনের বদরখালীতে অবস্থিত কোষ্টগার্ডের কমান্ডিং অফিসার আমিনুল হক আমাদের রামু ডটকমকে বলেন, বিজয় ফিশিং এর ম্যানেজারকে সরকারিভাবে নিষেধ ধাকায় প্রকাশ্যে বাজারে চিংড়ি মাছের পোনা বিক্রি না করার জন্য বলা হয়েছে। চাঁদাবাজির প্রশ্ন উঠে না। ধাক্কাধাক্কির কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা জানতে চাইলে তিনিিএ প্রতিবেদকে সামান্য কথাকাটি হলে জনগণের ভিড় জমে বলে জানান।