টেস্ট ক্রিকেট কতটা কঠিন, বুঝছেন মিঠুন

ক্রীড়া ডেস্কঃ
অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংসে পেয়েছিলেন দুইরকম স্বাদ। দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংসেই অভিজ্ঞতা একই। এবার স্বাদ কেবলই তেতো। দুই টেস্ট খেলে মোহাম্মদ মিঠুনের উপলব্ধি, টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাট করাটা অনেক কঠিন।

মিঠুনের অভিষেক ছিল আগের সিরিজের শেষ টেস্টে। মিরপুরে অভিষেক ইনিংসে বাজে শটে আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। পরের ইনিংসে খেলেছিলেন ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ন ইনিংস। সেই ইনিংস তাকে জায়গা করে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলেও। এবার দুই ইনিংসে আউট হয়েছেন ২০ ও ১৭ রান করে।

বড় রান পাননি, তার চেয়েও চোখে পড়ার মতো ছিল মিঠুনের আউট হওয়ার ধরন। চট্টগ্রামে দুই ইনিংসেই আউট হয়েছেন ভীষণ দৃষ্টিকটু শট খেলে।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান স্কোরারদের একজন মিঠুন। টেস্টের আঙিনায় এসে বুঝতে পারছেন, পার্থক্যটা অনেক বেশি। বললেন উইকেটের চ্যালেঞ্জের কথাও। সোমবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানালেন, চেষ্টা করবেন সামনে সুযোগ পেলে ভালো করতে।

“এখানে পার্থক্য হচ্ছে, টেস্টে বোলার অনেক মানসম্পন্ন থাকে। তাছাড়া যে কন্ডিশনে খেলা হচ্ছে, এখানে অবশ্যই ব্যাটিংটা কঠিন। আমরা তো ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে খেলছি না। ঘরোয়া ক্রিকেটে আমাদের উইকেট নিষ্প্রাণ থাকে, অনেক বেশি আলগা বল পাওয়া যায়, এখানে তুলনায় বোলাররা ভালো। সবকিছু মিলিয়ে ব্যাটিং করাটা অবশ্যই কঠিন।

“তারপরও যেভাবেই হোক, যত কঠিনই হোক, ব্যাটসম্যান হিসেবে আমাকে মেনে নিতে হবে এবং ওখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যেটা আশা করেছিলাম সেটা হয়নি। সামনে আরেকটা টেস্ট আছে। সুযোগ হলে ওখানে ভালো করার চেষ্টা করব।”

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে তেঁড়েফুড়ে মারতে গিয়ে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসেও যেভাবে আউট হয়েছেন, টেস্টের সঙ্গে মানানসই নয়। তবে মিঠুনের দাবি, শট খেলা ছাড়া খুব বিকল্প ছিল না ওই উইকেটে।

“যদি এমন কন্ডিশন হয়, তাহলে আপনি যে কোনো সময় আউট হয়ে যেতে পারেন। কারণ বোলারদের অনেক সহায়তা ছিল। বল একেক সময় একেক রকম আচরণ করছিল। এটা শুধু কঠিন কন্ডিশন বলে নয়, যে কোনো কন্ডিশনে ব্যাটসম্যান রান না করা পর্যন্ত সেট নয়। যখনই সে রান করতে পারবে, তখনই তার কাছে ব্যাটিংটা অনেক স্বাভাবিক হবে।”

“যে কোনো কন্ডিশনেই ব্যাটসম্যানের রানটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। উইকেটে যত সময়ই কাটাই, আমি রান না করতে পারলে সেটা দলেও যোগ হবে না, আমার ব্যক্তিগতভাবেও যোগ হবে না।”