উখিয়ায় নৌকা প্রতীকের অফিস ভাংচুর ও বিদ্রোহী প্রার্থীর পোষ্টার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ

শহিদুল ইসলাম, উখিয়া।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পালংখালী ষ্টেশনে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন জুয়েলের নির্বাচনী প্রচারনা অফিসে প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহম্মদের লোকজন শুক্রবার গভীর রাতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় দূবৃত্তরা অফিসের চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে এবং নৌকা প্রতীকের ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডব চালায়।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তার নির্বাচনী অফিস কার্যালয়ে কেউ না থাকার সুযোগে তার প্রতিপক্ষ বিদ্রোহী প্রার্থী আলী আহম্মদ দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত দেখে এ তান্ডব চালিয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলী আহাম্মদ ঘটনার কথা অস্বীকার করে বলেন, নৌকা সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জুয়েলের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে এ হামলা চালিয়েছে ও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

পালংখালী ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডটি সংখ্যালুঘু অধ্যূষিত এলাকা। উক্ত কেন্দ্রে সংখ্যালুঘুদের নিরাপত্তার জন্য র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি মোতায়নের দাবী করেন।

তিনি আরো বলেন, গত রাতে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন আনারসের পোষ্টার, ব্যানার ছিড়ে ফেলেন। প্রতিনিয়ত আনারস সমর্থকদের বাড়ি ঘরে গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। ৯ নং ওয়ার্ডটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

শুক্রবারের ঘটনার পর থেকে অন্যন্যা প্রার্থীরা শংকিত হয়ে পড়েছে। ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হেলাল উদ্দিন জানান, ভোট হতে আরও কয়দিন বাকী আছে। আওয়ামীলীগের ২ গ্র“পের মধ্যে যে ভাবে তান্ডব শুরু হয়েছে এখানে ভোট সুষ্ট ও নিরপেক্ষ হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।

নৌকা প্রতীকের অফিসে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পালংখালী ফারিরবিল গ্রামের আমির হোসনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে শনিবার প্রায় ৪৫ জনকে আসামী করে উখিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।