শিল্পশোভন ঢাকা লিট ফেস্ট

অনলাইন ডেস্কঃ
গত ৮ থেকে ১০ নভেম্বর হয়ে গেল ঢাকা লিট ফেস্ট ২০১৮। ঢাকায় আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসবকে ধরা হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় সাহিত্যের সবচেয়ে বড় মিলন মেলা হিসেবে। এ হিসাব লোকসংখ্যা কিংবা অংশগ্রহণকারী সাহিত্যিকের সংখ্যা বিচারে- যেভাবেই হোক না কেন, সাহিত্যের পারস্পরিক আদান-প্রদান ও মেলবন্ধনে এ আয়োজন ভূমিকা রাখে বলেই সংশ্নিষ্ট পক্ষ এবং অংশগ্রহণকারী সবার বিশ্বাস। যখন বিশ্বের সব দেশ, মানুষ দ্রুততার সঙ্গে পরস্পর নৈকট্যলাভের দ্রুততম বাস্তবতায় এসে পৌঁছেছে- বিশ্বায়নের সেই এক বিশ্ব এক গ্রামের প্রত্যাশা নিয়ে ভূগোল, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, বর্ণ এমন নানা বৈচিত্র্য ও বৈপরীত্য সঙ্গে নিয়েই মানুষ মানবতার এক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চেষ্টা করছে। আর সেইসব চেষ্টারই অংশ হিসেবে এমন আয়োজন হচ্ছে দেশে দেশে। ঢাকা লিট ফেস্ট একে একে সে চেষ্টায় অষ্টম বছরে পদার্পণ করল।

এবার এই উৎসবে ১৫ দেশের দুই শতাধিক সাহিত্যিক, অভিনেতা, রাজনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক অংশ নেন। আর এবারের লিট ফেস্টটি সাজানো হয়েছিল আলোচনা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ শতাধিক সেশন নিয়ে।

বাংলাদেশের সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য বাংলা ভাষার সাহিত্যিকদের মধ্যে তারকা হিসেবে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। জনপ্রিয় এ কথাকার লিট ফেস্টের শেষ দিনে একটি অধিবেশনে অংশ নেন। উপস্থিত দর্শক ও সাহিত্যপ্রেমীদের সঙ্গে তিনি সাহিত্য ও জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

উৎসবে অংশগ্রহণকারী বিদেশি অতিথিদের মধ্যে এবার সর্বোচ্চ আকর্ষণ ছিলেন পুলিৎজারজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অ্যাডাম জনসন। এ ছাড়া পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ হানিফ, ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ফিলিপ হেনশের, বুকারজয়ী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক জেমস মিক, ভারতীয় জনপ্রিয় লেখিকা জয়শ্রী মিশ্র, লন্ডন ন্যাশনাল একাডেমি অব রাইটিংয়ের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক রিচার্ড বেয়ার্ড, ভারতীয় লেখিকা হিমাঞ্জলি শংকর, শিশুতোষ লেখিকা মিতালি বোস পারকিন্স, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এশিয়ার প্রধান হুগো রেস্টল, মার্কিন সাংবাদিক প্যাট্রিক উইন, লেখক ও সাংবাদিক নিশিদ হাজারির মতো সাহিত্যজনদের উপস্থিতিতে এবারের লিট ফেস্ট মুখর হয়েছে।

দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা লিট ফেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন অস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী টিলডা সুইন্টন। আর সাহিত্য উৎসবে চলচ্চিত্র তারকাদের তালিকায় এবার যুক্ত হন বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা। তিনি এসেছিলেন আত্মজীবনী নিয়ে কথা বলতে। এসেছিলেনন অভিনেত্রী ও অ্যাক্টিভিস্ট নন্দিতা দাস। কথা বললেন নারী অধিকার, অভিনয় জীবন ও বহুল আলোচিত হ্যাশট্যাগ মিটু আন্দোলন নিয়ে।

বাংলাদেশের প্রায় দেড়শ’ লেখক, অনুবাদক, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ এ আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আনিসুজ্জামান, শামসুজ্জামান খান, সেলিনা হোসেন, আফসান চৌধুরী, আসাদ চৌধুরী, আসাদুজ্জামান নূর, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কামাল চৌধুরী, ফখরুল আলম, ইমদাদুল হক মিলন, মঈনুল আহসান সাবের, আলী যাকের, আনিসুল হক, কায়সার হক, খাদেমুল ইসলাম, অমিতাভ রেজা, মুন্নী সাহা, শাহনাজ মুন্নী, নবনীতা চৌধুরী প্রমুখ।

লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিনে ঘোষণা করা হয় ‘জেমকন সাহিত্য পুরস্কার’। একই দিনে ‘ক্যামব্রিজ শর্ট স্টোরি প্রাইজ’ নামে নতুন আরেকটি সাহিত্য পুরস্কারের যাত্রা হয় এবারের লিট ফেস্টে।

প্রতিবারের মতোই বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা একাডেমির আয়োজনে এই উৎসব পরিচালনা করেছেন কথাসাহিত্যিক এবং বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের পকাশক কাজী আনিস আহমেদ, কবি সাদাফ সায্‌ সিদ্দিকী ও কবি আহসান আকবর।

ভুয়া খবর বা ‘ফেক নিউজ’ বর্তমান সময়ের অন্যতম আলোচনার বিষয়। ঢাকা লিট ফেস্টের শেষ দিন কবি শামসুর রাহমান সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনায় বসেন জাফর সোবহান, আফসান চৌধুরী, হুগো রেস্টল ও অ্যানি জাইদি। সেশনটি সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা ট্রিবিউনের পল্গ্যানিং এডিটর আসিফুল ইসলাম।

পুরো আলোচনায় উঠে আসে বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক বাস্তবতার বিচারে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার, সাংবাদিকদের আদর্শ-নৈতিকতা, সংবাদমাধ্যমের মালিকপক্ষ-সরকার সম্পর্ক, ‘আন্ডারগ্রাউন্ড মিডিয়া’র অস্তিত্ব ও জনমনে প্রভাবসহ আরও বিভিন্ন প্রসঙ্গ।

ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতেই হবে। ফেক নিউজ ইস্যুটি এখন বেশ আলোচিত হওয়ার কারণ হলো, এমন সংবাদের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, যা কখনও কখনও নেতিবাচক। মিডিয়া জগতে কোনটি ভুয়া তথ্য (মিসইনফরমেশন) আর কোনটি তথ্যই নয় (ডিসইনফরমেশন) তা জনসাধারণের পক্ষে নির্দিষ্ট করে শনাক্ত করা কঠিন। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেই ফেক নিউজ যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটাতে পারছে।’

দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সাংবাদিক, গবেষক আফসান চৌধুরী বলেন, “ফেক নিউজ কেন হয়? কারণ সমাজে রয়েছে প্রচুর ফেক সম্পাদক, ফেক সাংবাদিক, ফেক রাজনীতিক। সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক বা সম্পাদক হিসেবে তার দায়িত্ব একটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তার বদলে যখন এই মানুষগুলো ‘সমাজ রক্ষার’, ‘দেশ রক্ষার’ ব্রত পালন করতে যায়, তখনই এমন বিপত্তি ঘটে।”

ভারতে সাংবাদিকতা জগতে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন অ্যানি জাইদি। ভারতের প্রেক্ষাপটে বললেন, ‘সংবাদমাধ্যমের মালিকপক্ষ কারা খুঁজলেই দেখবেন, বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বা রাজনীতিকরাই প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করেন। কিন্তু সাংবাদিক হিসেবে, সাংবাদিকতার ইথিকসের জায়গা থেকে ‘আমাদের কাজ হলো আমাদের কাজটুকু (বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন) ঠিকমতো করা।’ এই প্রতিশ্রুতি রাখছেন না অনেক সাংবাদিক। গোষ্ঠীস্বার্থ ভিডিও টেম্পারিংয়ের মতো নিকৃষ্ট কাজ করে বেইমানি করছে জাতির সঙ্গে।’

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে সম্পাদনার কাজ করেন হুগো রেস্টল। তিনি বলেন, “মার্কিন গণমাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রভাবের কথা। পাপারাজ্জিদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ার ফলে ফেক নিউজের হার বেড়ে যাচ্ছে। আন্ডারগ্রাউন্ড মিডিয়া কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীস্বার্থ সিদ্ধির জন্য বিনা পারিশ্রমিকে, বিনা পরিচয়ে ‘ফেক নিউজ’ করতেই থাকছে। কোনো সরকারের পক্ষে আইন করে এই চর্চা থামানো সম্ভব নয়। এই বিষয়টিও উদ্বেগজনক।”

সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে মূল ধারার সংবাদমাধ্যমের বিরোধের কোনো জায়গা নেই বলে একমত প্রকাশ করেন বক্তারা। বরং বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আরও বেশি করে গণমানুষের কাছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার খুব সুন্দর একটি পল্গ্যাটফর্ম। পাঠক হিসেবেও আমাদের কিছু দায়িত্ববোধ আছে। সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা নিরীক্ষা না করেই প্রতিক্রিয়া দেখানোর মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান ধ্বনিত হয় সবার কণ্ঠে।

এমন প্রায় প্রতিটি অধিবেশনের কথাই বলা যায়। নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রতিটি অধিবেশনেই সমসাময়িক বাস্তবতায় বিচিত্র প্রেক্ষিত নিয়ে আলোচনা করেন আলোচকরা।

উৎসবের তৃতীয় এবং শেষ দিনে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ অডিটোরিয়ামে বিকেলের প্রথম সেশনে ভিন্নধারার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ‘অন ড্রামডন হিল’ শীর্ষক আলোচনায় লেখক আহসান আকবারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় স্কটিশ অভিনেত্রী টিলডা সুইনটোন।

‘আগত ভবিষ্যৎকে মোকাবিলা’ স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত ভিন্নধারার শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ স্কটল্যান্ডের ড্রামডন স্কুল। অভিনেত্রী টিলডা সুইনটন পুরো সেশনজুড়ে মূলত এ প্রসঙ্গেই কথা বলেন। টিলডার মতে, বর্তমান বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থায় যে কাঠামো অনুসরণ করা হয় এবং শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারের যে বাড়াবাড়ি, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটি শিশুর শৈশব থেকে পরিণত হয়ে ওঠার পথে অন্তরায়; প্রতিটি ধাপেই তাকে একধরনের সামাজিক চাপ, বিষণ্ণতা ও হতাশার দিকে ঠেলতে থাকে, যা শিক্ষাব্যবস্থার চূড়ান্ত উদ্দেশ্যের বিপরীত অবস্থানে।

ড্রামডন স্কুল গতানুগতিক ও তথাকথিত এই কাঠামো থেকে একেবারেই দূরে। স্কুলটির কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে গিয়ে টিলডা বলেন, তিন ধাপে এখানে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ৪-৭ বছর পর্যন্ত শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণের সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়; কোনো পরীক্ষা দিতে হয় না তাদের। দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ ৭-১৪ বছর পর্যন্ত হাতেকলমে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কলাকৌশলে অভ্যস্ত করা হয়, যা শিক্ষায় আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে শিশুদের। শিক্ষা কার্যক্রমের শেষ ধাপ অর্থাৎ ১৪-২১ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, যেখানে তারা একটা দীর্ঘ সময় কোনো নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে যেমন, স্থাপত্য, জীববিদ্যা, মনোবিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ে অধ্যয়ন করে। এই বিদ্যায়তনিক শিক্ষা শেষে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্তরে যেতে তাদের সাহায্য করে।

এই শিক্ষাব্যবস্থায় নিজের যমজ সন্তানরা বেড়ে উঠেছে বলেও জানান টিলডা। শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বৃত্তের বাইরের এ ধরনের কথা বলে অডিটোরিয়ামে উপস্থিত কানায় কানায় পরিপূর্ণ দেশি-বিদেশি লেখক, শিক্ষক ও দর্শকদের প্রশংসায় ভাসেন টিলডা সুইনটোন। দর্শক সারি থেকে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের এক শিক্ষক জানতে চান, এ যুগের শিক্ষাকে শিক্ষার্থীদের কাছে আনন্দমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকরী করার লক্ষ্যে শিক্ষকদের প্রতি কোনো পরামর্শ আছে কি-না। টিলডা বলেন, শিক্ষকদের গৎবাঁধা নিয়মের বাইরে এসে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় ভাগ করে দিতে হবে। এরপর যথেষ্ট সময় নিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিতে হবে। হাতেকলমে শিক্ষার প্রসার বাড়াতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভীতি দূর করে তাদের করে তুলবে অনুসন্ধিৎসু এবং শিক্ষাকে করবে আনন্দমুখর।

৮ থেকে ১০ নভেম্বর টানা তিন দিন বাংলা একাডেমির ছয়টি ভিন্ন ভেন্যুতে ৯০টির বেশি সেশনে নানান আলোচনায় মুখর ছিল উৎসব। এবারের আয়োজনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো- এবার আধিবেশনগুলোতে এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুতেও ‘নারী’র উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। একটি অধিবেশনে বাংলাদেশের তিন নারী বাউলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অধিবেশন ছিল ‘বাংলা সাহিত্যে নারী ও পুরুষ’ নিয়ে। এ বিষয়ে কথা বলেন সেলিনা হোসেন, সালমা বাণি, শাহনাজ মুন্নী, সাদেকা হালিম ও অদিতি ফাল্কগ্দুনী। যার সঞ্চালনায় ছিলেন কবি শামীম রেজা। এ ছাড়াও একটি অধিবেশনের শিরোনামই ছিলো ‘ছয় নারী’। যেখানে ছয়জন বিশিষ্ট নারী আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।

আয়োজনের একেবারে শেষবেলায় খ্যাতির শীর্ষে থাকা এই কথাসাহিত্যিকের সেশনে যোগ দিতে আগ্রহীদের ছিল লম্বা লাইন।

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কথোপকথন আর বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার ক্যান্সার জয়ের গল্প দিয়ে শনিবার শেষ হয়েছে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক লিট ফেস্ট ২০১৮’। রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত তিন দিনের এ আয়োজনের শেষ দিনও গান, আলোচনা, কবিতা পাঠসহ নানা সেশন সাহিত্যানুরাগীদের অনুপ্রাণীত করে।

সূত্রঃ সমকাল