সমাপনী পরীক্ষা বাদ দিতে হলে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্কঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণি পর্যায়ে শুধুমাত্র একবার সমাপনী পরীক্ষা নেয়ার জন্য শিক্ষাবিদরা বলে আসছেন। সরকার সেটা বিবেচনায় নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলেও শিক্ষার্থীরা পহেলা জানুয়ারিতে নতুন বই হাতে পাবে। রোববার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রথমবারের মতো সৃজনশীল প্রশ্নে সারাদেশে একযোগে রোববার থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। এদিন রাজধানীর ভিকারুন্নেসা স্কুলে পরীক্ষা পরিদর্শন করতে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন শুরু হবে ৩০ ডিসেম্বর। তবে পহেলা জানুয়ারিতে নতুন বই পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা। নির্বাচনের জন্য বই পাওয়াতে কোনো অসুবিধা হবে না বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণি পর্যায়ে শুধুমাত্র একবার সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অভিভাবকরা বলে আসছেন। সেটা আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটা হতে পারে।

রোববার থেকে শুরু হওয়া পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩০ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ জন শিক্ষার্থী।

এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে, যার মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন।

ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। যার মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন।

এছাড়া এ বছর ৩ হাজার ২৯৪ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী সমাপনীতে অংশ নিচ্ছে, এদের জন্য পরীক্ষায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।

পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়। ৬টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়া হয়েছে। যা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর (সোমবার)।