কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কে সেনা কর্মকতাসহ ৩ জন ডাকাতির শিকার

এ.এম হোবাইব সজীব:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ক্রাইমজোন কালারমারছড়া চালিয়াতলী-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কে একদল মুখোশ পরিহিত সশস্ত্র ডাকাতদল সড়কে চলাচলরত লোকজনদের জিম্মি করে ডাকাতি সংগঠিত করেছে ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডাকাত দল কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কের ধারাখাল ব্রিজ সংল্গন এলাকায় হানা দিয়ে মাতারবাড়ী সিকদার পাড়া এলাকার মৃত দলুধ মিয়ার ছেলে সেনা কর্মকতা সাইদুল মোস্তাকিম আরোফিন এর কাছ মোবাইল সেট, পরিচয় পত্র, নগদ ৩০ হাজার ২’শ টাকা ছিনিয়ে নেয়। অন্য দুই জন ব্যাক্তির কাছ থেকে মোবাইল সেট ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। তবে তাদের নাম পাওয়াা যায়নি।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার সময় এ ডাকাতি সংগঠতি হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোয়ানুর ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে ক্ষত বিক্ষত হয়ে গাড়ী চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ে। ঘটনার রাতে ওই সেনা কর্মকতাসহ ৫ জন যাত্রী নিয়ে বদরখালী ফেরীঘাট থেকে একটি সিএনজি গাড়ী কালারমারছড়া চালিয়াতলী চিতাখুলা সড়কে অবতরণ করেন।

সেখান থেকে উক্ত সেনা কর্মকতাসহ ৩ জন পথচারী হেঁটে মাতারবাড়ী নিজ এলাকায় রওয়ানা দিলে কালামারছড়ার মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কের ধারাখাল ব্রিজে পৌঁছলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা ডাকাতদল তাদেরকে অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে ডাকাতি সংগঠিত করে চম্পট দেয়।

ডাকাত কবলিত লোকজন জানান, মাতারবাড়ী ফাঁড়ি পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলের ৩’শ গজের মধ্যে থাকলেও তারা নিরব ভূমিকা পালন করেছেন।

মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে মাতারবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আবদুল মালেক বলেন, তিনি ইউপি নির্বাচনে ডিউটিতে কক্সবাজার থাকায় এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে তিনি দায়িত্বরত হাবিলদারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য প্রতিবেদকে পরামর্শ দেন।

এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মাতারবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত নায়েক নজরুল ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এস.আই বোরহান জানান আমি শুনে পুলিশের টহলের একটি টিম সেখানে পাটিয়েছি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।