এক রেকর্ড ছুঁয়ে আরও রেকর্ডে চোখ তাইজুলের

ক্রীড়া ডেস্কঃ
একটি রেকর্ড ছুঁয়েছেন। হাতছানি আছে আরও কয়েকটির। রেকর্ড ছুঁয়ে ভালো লাগা আছে তাইজুল ইসলামের। চোখ রাখছেন সামনের সম্ভাবনায়ও। পাশাপাশি এটিও জানিয়ে দিলেন, তার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি দল ভালো অবস্থানে থাকায়।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে বড় লিড এনে দিয়েছেন তাইজুল। এর আগে প্রথম টেস্টে সিলেটে দুই ইনিংসে নিয়েছিলেন ৬ ও ৫ উইকেট।

বাংলাদেশের হয়ে টানা তিন ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া তৃতীয় বোলার তাইজুল। এই কীর্তি গড়া বাংলাদেশের আগের দুইজনও ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা তিন ইনিংসে ৬, ৭ ও ৫ উইকেট নিয়েছিলেন এনামুল হক জুনিয়র। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টানা দুই ইনিংসে ৫ ও ৬ উইকেট নেওয়ার পর দেশে ফিরে পরের ইনিংসেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।

মাঠে যেভাবে লম্বা স্পেল করেন তাইজুল, মাইক্রোফোনের সামনে ঠিক তার উল্টো। একদমই স্বল্পভাষী। রেকর্ড নিয়ে ভালোলাগার কথা দিনশেষে জানালেন ছোট্ট করে। তাতে মিশে থাকল দলের কথাও।

“ভালো পারফরম্যান্স করলে প্রতিটা ক্রিকেটারের ভালো লাগে। তবে দলটা আগে। দলটা এখন ভালো অবস্থানে আছে, এটাই বড় কথা।”

এই রেকর্ড ছোঁয়ার পর অপেক্ষায় তার আরও কিছু রেকর্ড। পরের ইনিংসে ৫ উইকেট নিলে টানা চার ইনিংসে ৫ উইকেটের রেকর্ড এককভাবে হয়ে যাবে তার নিজের। দ্বিতীয় ইনিংসে আর চারটি উইকেট নিলেই দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট রেকর্ড গড়বেন। পেছনে ফেলবেন ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের ১৯ উইকেট। তিন উইকেট নিলেই গড়বেন বাংলাদেশের হয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি উইকেটের রেকর্ড। ২০০৩ সালে ৩৩ উইকেট নিয়ে ওই রেকর্ড মোহাম্মদ রফিকের।

এতগুলো রেকর্ডের সম্ভাবনার পরও অবশ্য তাইজুলের কথায় বা আচরণে খুব রোমাঞ্চ প্রতিফলিত হলো না। আবারও ছোট করেই বললেন আশার কথা।

“আসলে উইকেটের অবস্থাটা এমন, যদি ডিসিপ্লিন ধরে রেখে বল করতে পারি, তাহলে অসম্ভব কিছুই না। আমি আশাবাদী।”