ঘরের দূষণ দূর করতে

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
ঘর দূষণ মুক্ত রাখতে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম।

অজান্তেই ঘরের পরিবেশ দূষিত হয়। বরং কয়েকটা বিষয় খেয়াল রাখলে বাড়ির পরিবেশ দূষণ মুক্ত রাখা যায়।

আর সেসব পন্থাই জানানো হল স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে।

ঘর পরিষ্কারে রাসায়নিক উপাদান পরিহার:
ঘর পরিষ্কারের রাসায়নিক উপকরণগুলোর গন্ধ নিলে যেন মাথা ঘুরে ওঠে। কারণ এসব পরিষ্কারক তৈরিতে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয় তা সামান্য পরিমাণে শোঁকাও বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।

তাই প্রাকৃতিক পরিষ্কারক উপাদান ব্যবহার শুরু করতে হবে। সম্ভব হলে কম মাত্রায় রাসায়নিক উপাদান আছে এমন পরিষ্কারক দ্রব্য ব্যবহার করতে হবে।

কার্পেট পরিহার:
ধুলাবালি ও বিভিন্ন জীবাণুর আস্তানা প্রতিটি কার্পেট। আর সেখানে দীর্ঘদিন ধরে জমতে থাকে আরও ধুলাবালি। কারণ এটি মেঝের সঙ্গে লেগে থাকে এবং বাইরে থেকে উড়ে আসা ধুলা এসে সেখানেই আটকে থাকে। ফলে তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে ঘরের বাতাস ও খাবারের উপর। তাই ঘরের মেঝে জুড়ে কার্পেট বা মাদুর ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

ঘরে ধূমপান নিষেধ:
দূষিত বাতাসে শ্বাস নেওয়া দিনে ১৫টি সিগারেট পান করার সমতুল্য। তাই যে ঘরে দিনের একটি বড় সময় কাটানো হয় সেখানকার বাতাস সিগারেটের ধোঁয়ায় দূষিত করা একবারেই অনুচিত।

বিশেষ করে কাপড়ে ঘেরা অংশগুলোতে। এই কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে পড়বে ঘরের প্রতিটি সদস্য।

এয়ার ফ্রেশনার বা সুগন্ধি মোম পরিহার:
ঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে যে এয়ার ফ্রেশনার ও সুগন্ধি মোম ব্যবহার করা হয় সেটাও মানুষের জন্য ক্ষতিকর। একদিকে অ্যারোসল এবং এয়ার ফ্রেশনারে থাকে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান; অপরদিকে সুগন্ধি মোমবাতি বাতাসে নিঃসরণ করে ‘সুট’ ও অন্যান্য বায়ুদূষক উপাদান। যা খুব সহজেই মানুষের ফুসফুসে গিয়ে বাইরের দূষণের মতোই ক্ষতিকর হতে পারে।

দস্তা-যুক্ত উপাদান পরিহার:
ঘর পরিষ্কার করার কাজে বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হওয়া উচিত দস্তা নেই এমন যন্ত্র বেছে নেওয়া। কারণ দস্তা খুব সহজেই বাতাসে মিশে গিয়ে বায়ুদূষণ করে। ফলাফল হতে পারে হাঁসফাঁস বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি।

ধুলা ঝাড়তে সাবধান:
ঘরের ধুলাবালি ঝাড়ু দেওয়ার মাধ্যমেও বায়ুদূষণ হতে পারে। কারণ ঝাড়ু দেওয়ার মাধ্যমে বাতাসের দূষিত উপাদানের বেশিরভাগই ঘর থেকে বের হয়না বরং মেঝেতে পড়ে থাকা সেই উপাদানগুলো আবার বাতাসে মেশে। ফলে তা ঘরের বাসিন্দাদের শ্বাসতন্ত্রে যাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ে।