‘টাকার খেলা না হলে নৌকাটা অবশ্যই আমি পেতাম’

রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকের আহমদ। দলের পক্ষে মনোনয়নের দৌড়ে তিনি হেরে যান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল আমিন কোম্পানীর কাছে। জাকের আহমদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। আমাদের রামু ডটকমের পক্ষে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আবুল খায়ের মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান  এবং হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী

প্রথমেই জানতে চাই, আপনি কি কারণে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চান?

আমি কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের সেবা করার জন্য চেয়ারম্যান হতে চাই।

সব প্রার্থীই তো কোন না কোনভাবে জনগণের ‘সেবা’ করার জন্যই নির্বাচন করছেন বলে দাবি করেন। আপনি কোন কোন উপায়ে এলাকাবাসীর ‘সেবা’ করবেন?

প্রাথমিক শিক্ষার উপর আমি জোর দিব। অবহেলিত কচ্ছপিয়ায় এখনো বিদ্যুতায়ন হয় নাই, আমি প্রতিটা ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার জোর প্রচেষ্টা চালাব। তৃতীয়ত, কচ্ছপিয়ার রাস্তাঘাট খুবই অবহেলিত। আমি মনে করি রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ছাড়া এলাকার অন্য কোন উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই এই বিষয়েও গুরুত্ব দেব। এই তিনটা বিষয়ের উন্নয়ন হলে এলাকার উন্নয়ন হবে।

এই তিন খাতে উন্নয়নের জন্য আপনার সুস্পষ্ট কোন পরিকল্পনা আছে?

অবশ্যই আছে। যেমন, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের কোন গ্রামেই রাস্তার পরিস্থিতি ভাল না। বেশির ভাগ রাস্তা কাঁচা — একটা সাইকেল বা বাইক নিয়েও চলাচল করা যায় না। শুধু গর্জনিয়া বাজার থেকে দোছড়ি পর্যন্ত রাস্তাটাই পিচের। রাস্তাটার দৈর্ঘ্য দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার। এই রাস্তাও পাকা হয়েছে মূলত দোছড়ি ইউনিয়নে দুইটি বিজিবি ক্যাম্প থাকার কারণে। এই রাস্তা ছাড়া আর সব রাস্তা কাঁচা রাস্তা। আমি নির্বাচিত হলে প্রায় সব রাস্তা পাকা করে ফেলব। কচ্ছপিয়ায় তিনটা রাস্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হল চিতারকাটা থেকে মৌলবিরকাটা, ছোট জামছড়ি থেকে বড় জামছড়ি হয়ে মৌলবিরকাটা এবং দোছড়ি হয়ে কচ্ছপিয়া। এই তিনটা রাস্তা আমি যত দ্রুত সম্ভব পাকা করার আপ্রাণ চেষ্টা করব। এছাড়া গ্রামীণ সড়কগুলো প্রাথমিকভাবে ইট বসিয়ে আধাপাকা করব।

বিদ্যুৎ ও শিক্ষা নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?

কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের একমাত্র গর্জনিয়া বাজার ছাড়া আর কোথাও বিদ্যুৎ নাই। আমি নির্বাচিত হলে প্রতিটি গ্রামে ক্রমান্বয়ে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিব। যেমন, গর্জনিয়া বাজার থেকে তিতারপাড়া, তিতারপাড়া হয়ে দোছড়ি, দোছড়ি থেকে কচ্ছপিয়া, কচ্ছপিয়া থেকে গিলাতলি, ওখান থেকে ছোট জামছড়ি, সেখান থেকে সুখমুনিয়া, সুখমুনিয়া থেকে হাজিরপাড়া, হাজিরপাড়া হয়ে মৌলবিরকাটা, সেখান থেকে বড় জামছড়ি। তারপর তুলাতলি, নাপিতের চর এসব এলাকায় আমি বিদ্যুৎ পৌঁছে দিব।

স্বাধীনতার পর ৪৫ বছরে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছলেও কচ্ছপিয়া এখনো বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে। এতদিন কোন জনপ্রতিনিধি এ ব্যাপারে সফল না হলেও কি কারণে আপনি সফল হতে পারবেন বলে মনে করেন?

বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগ সরকার। আমি কচ্ছপিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং দলটির রামু উপজেলা শাখার সদস্য। তাই আমি পারব। তবে, দলীয়ভাবে আমি টাকার কাছে হেরে গেছি, নৌকাটা [আওয়ামী লীগের মনোনয়ন] আমি পাই নাই। সেটা আমার দুর্ভাগ্য।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে তাহলে টাকার ভূমিকা মুখ্য ছিল আপনি বলছেন?

অবশ্যই, অবশ্যই, অবশ্যই। আমি তৃণমূলের একক প্রার্থী। তৃণমূলের একক প্রার্থী হিসেবে আমার নাম প্রথমে উপজেলায় গেছে, তারপর জেলায় গেছে। টাকার খেলা না হলে নৌকাটা অবশ্যই আমি পেতাম। কথাটা আমাকে বলতেই হবে। যা সত্য তা আমাকে বলতেই হবে। আমি এ ব্যাপারে কোন ছাড় দিব না।

আপনার কথায় টাকার কাছে হেরে গিয়ে আপনি যেখানে আওয়ামী লীগের মনোনয়নই পেলেন না, সেখানে নির্বাচিত হলে দলের উচ্চপর্যায় থেকে সহযোগিতা পাওয়ার নিশ্চয়তা কি?

বর্তমানে দলে যাঁরা আছেন তাঁরা আমাকে সহযোগিতা করবেন আশা করি। যেমন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি সাহেব আছেন। তিনি আমাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া, রামু থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং পুরো ব্যবস্থাপনা আমাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, নির্বাচিত হয়ে আসুন, বাকিটা আমরা দেখব। সুতরাং কোন দুশ্চিন্তার অবকাশ আমার নাই।

এটা নির্বাচনের পরের বিষয়। নির্বাচনে যেখানে দলীয় সমর্থনই পেলেন না, সেখানে এলাকার জনগণ কেন আপনাকে সমর্থন দেবে?

কচ্ছপিয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে তৃণমূলের সমস্ত নেতাকর্মী আমার সাথে আছেন। জনগণ ভাল মানুষ দেখে ভোট দেবে। আমি এটুকুই আশা রাখি।

আওয়ামী লীগ কি ভাল মানুষ দেখে মনোনয়ন দেয় নাই?

সেটা আমি বলতে পারব না। উপরস্থ কেন্দ্র কি দিকনির্দেশনা দিয়েছে তা আমার জানার অবকাশ নাই।

এবার অন্য বিষয়ে যাই। কোন বিষয়গুলোকে আপনি আপনার এলাকার প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করবেন?

আমি প্রথমে নির্বাচনের কথা বলি। বর্তমান চেয়ারম্যান, নৌকার প্রার্থী নুরুল আমিন আমার নেতাকর্মীকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। আবার কিছু জালিয়াতির আশ্রয়ও নিচ্ছেন। যেমন, আজ শুনলাম কিছু লোককে রামু হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে সার্টিফিকেট নিচ্ছেন। তিনজনই নাকি ১ নম্বর ওয়ার্ডের গিলাতলি গ্রামের লোক। তাদের ভর্তি দেখিয়ে তিনি মামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কার বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন সেই খবর এখনো পাই নাই।

এটা তো বর্তমান নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্যা। আর কোন সমস্যা বা অনিয়ম কি দেখছেন?

তিনি [নুরুল আমিন] বলে বেড়াচ্ছেন, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নয় ওয়ার্ডে যদি নয়টা ভোটও তিনি পান তাহলে চেয়ারম্যান হয়ে যাবেন। উনি নিজে মাইকে এই কথা বলেছেন। গত ৯ মে গর্জনিয়া বাজারে তাঁতী লীগের একটা সম্মেলন তিনি খোলাখুলি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বেঁচে থাকলে কচ্ছপিয়াতে কোনদিন নির্বাচন হবে না, হতে দেবেন না। আমি নির্বাচন কমিশনে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠিয়েছি। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে আমি তার অনুলিপি দিয়েছি।

আপনার মনোনয়ন তো প্রথমে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। কি কারণে?

মনোনয়নপত্রে ব্যাঙ্কে টাকা জমার রশিদ জমা দেওয়ার কথা না থাকায় আমরা তা দেই নাই। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ছিল গত ৫ মে। আমাদের বর্তমান এমপি সাহেবের পিছনে থেকে লালিত-পালিত কিছু সন্ত্রাসী সেদিন জোরপূর্বক নির্বাচন অফিসে ঢুকে পড়ে। তারা জোরপূর্বক রিটার্নিং অফিসারকে দিয়ে আমার এবং বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করায়। এমপি সাহেবের পিএস ছিল যে আবু বক্কর সেও ছিল ঐ সন্ত্রাসীদের মাঝে। জেলা নির্বাচন অফিসারের দক্ষতার কারণে আমাদের দুজনের মনোনয়নই পরে গ্রহণ করা হয়।

এসব তো গেল নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্যা। এর বাইরে, এলাকাবাসীর জীবনের সাথে প্রতিদিন জড়িয়ে থাকা বিষয়ের মধ্যে কোনগুলোকে আপনি এখানকার প্রধান সমস্যা বলে মনে করেন?

মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস প্রভৃতি এখন কচ্ছপিয়ার বড় সমস্যা। বর্তমান চেয়ারম্যান মহোদয় এসব সন্ত্রাসীকে লালন-পালন করছেন। এখান থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরেই মায়ানমারের সীমানা। একশ্রেণীর লোক এই পথে ইয়াবার আমদানি করে পয়সা বানিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া, ভারত ও মায়ানমার এবং দেশের বিভিন্ন এলাকার লোকের আনাগোনাও এখানে দেখা যাচ্ছে। আল্লাহ আমাকে কামিয়াব করলে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন থেকে সন্ত্রাস আর মাদক আমি নির্মূল করব ইনশাল্লাহ।

এগুলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমস্যা। এছাড়া আর কোন বড় সমস্যা আপনার চোখে পড়ে?

পানির দুর্ভোগ এখানে প্রকট। প্রতিটা বাড়িতে টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব। মানুষ যাতে আর খোলা জায়গায় পায়খানা না করে সেজন্য স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার ব্যবস্থাও আমি করব।

এলাকার আরেকটি বড় সমস্যা নিয়মিত নদীভাঙ্গন। এছাড়া, অনেক জমিতে এখন তামাক চাষ হচ্ছে। এসব বিষয় কি আপনার দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নয়?

তামাক খুব ক্ষতিকর। আমি তা বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।
এখানে দুইটি বড় নদী আছে — বাঁকখালী আর দোছড়ি খালের নদী। এই দুই নদীর ভাঙ্গন এখানকার বড় সমস্যা। গর্জনিয়া কচ্ছপিয়ার মধ্যখানে বড় একটা সেতু আছে। সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গত দুই বছর ধরে তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। আমি এজন্য বিশেষ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে দায়ী করব। কক্সবাজার-৩ আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল সাহেব উদ্যোগ নিলে আজকে দুই বছর যাবৎ আমাদের কষ্ট পেতে হত না। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে আমি তত বেশি দোষ দিব না।
ফাকরিকাটা, ডেইঙ্গার চর, শহরালির চর এলাকার মানুষ নিয়মিত নদীভাঙ্গনের স্বীকার হয়। তাদের রক্ষা করার জন্য নদীর উভয় পাশে পাথরের ব্লক ফেলে ও অন্যান্য উপায়ে নদীশাসন জরুরি বলে আমি মনে করি।

কচ্ছপিয়া এলাকার বাইরের পাঠকের জন্য কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পরিচয় দিন।

বৃহত্তর গর্জনিয়া ইউনিয়ন ভাগ করে ১৯৭৩ ইংরেজিতে ঈদগড়, কচ্ছপিয়া আর গর্জনিয়া নামে তিনটি ইউনিয়ন করা হয়। কচ্ছপিয়া নামে আমাদের একটি গ্রাম ছিল। সেই গ্রামের নাম থেকেই কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়। এইটুকুই।

কচ্ছপিয়ার পরিচয় দিতে বললে আপনি এতটুকুই বলবেন?

জি।

আপনার এলাকায় কত সংখ্যক ভোটার আছে? তারা কোন কোন শ্রেণী, পেশা, আর্থিক অবস্থা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার?

কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন খুবই অনুন্নত। প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষিত শতকরা ৭০ ভাগ হতে পারে বলে আমার ধারণা। তবে গ্র্যাজুয়েট খুব বেশি নেই — ২০ থেকে ২৫ শতাংশ হতে পারে। এখানকার লোকেরা মূলত কৃষিজীবী। লোকজনের আর্থিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ গরিব।

তাদের জীবন-জীবিকার মান ও অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নের জন্য আপনার সুস্পষ্ট কোন পরিকল্পনা আছে?

জনগণ সুশিক্ষিত হলে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও ভাল হবে বলে আমি মনে করি।

জনগণকে সুশিক্ষিত করার জন্য আপনি কি করবেন?

আমি প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করব।

এটা তো জাতীয়ভাবে অনেক আগেই হয়েছে।

হয়েছে, তবে আমি মনে করি এখনো আমাদের এলাকায় সেটা কার্যকর হয় নাই। এলাকাবাসী, শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সবার সহযোগিতা নিয়ে সব ছেলেমেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।

এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে অনেক প্রতিশ্রুতির কথা আপনি শোনালেন। আপনি কি আমাদের পাঠকদের একটু বলবেন, এখন পর্যন্ত এলাকার জনগণের জন্য আপনি কি কি কাজ করেছেন?

যেখানেই রাস্তাঘাট খারাপ তা মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। অনেক জায়গায় এখনো কাজ চলছে। যেমন, গিলাতলি যাওয়ার পথে কচ্ছপিয়ায় এমন কয়েকটি কাজ করেছি। দোছড়ি যাওয়ার পথে গলাছিড়া নামক জায়গায় এবং বড় জামছড়ি এলাকার তুলাতলি গ্রামে ভাঙ্গা সাঁকো মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের ৬ নং ওয়ার্ডের শিবাতলি এলাকায় মহিষখুম বেইলি ব্রিজের কাজও করছি।

আপনি তো বর্তমানে কোন জনপ্রতিনিধি নন, তাহলে এসব কাজ কিভাবে করছেন?

এলাকার জনগণের স্বার্থে জনগণকে সাথে নিয়ে আমার নিজের উদ্যোগ ও অর্থায়নে আমি সেই কাজগুলো করছি।

যোগাযোগ ব্যবস্থার বাইরে এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক বা শিক্ষাগত উন্নয়নের কাজে আপনি এখন পর্যন্ত কি কি করেছেন?

একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসা এবং তিনটি মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

এছাড়া সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের কোন কাজে আপনি কখনো সংশ্লিষ্ট ছিলেন?

না, সেরকম কোন কাজে আমি জড়িত ছিলাম না।

রামুর আওয়ামী লীল দীর্ঘদিন ধরে বিভক্ত। শুরুতে আপনার কথাতেও সে কথার জোরাল ইঙ্গিত আছে। এই বিভক্তি আপনার নির্বাচিত হওয়ার পিছনে কতটুকু নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে?

কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোন অংশই বর্তমান নৌকার প্রার্থীর সাথে নাই। আমি সেটা নিশ্চিত। কচ্ছপিয়ার নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হয়, প্রশাসনিকভাবে এখানে যদি কোন গণ্ডগোল না হয়, তাহলে এখানকার ৬০ শতাংশ ভোট আমি পাব বলে আশাবাদী। আমি সেভাবেই সাড়া পাচ্ছি।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ: ১৯ মে

চোখ রাখুন: পরের সাক্ষাৎকারে।