অবশেষে অনুষ্টিত হচ্ছে টেকনাফ পৌর নির্বাচন: নৌকার মাঝির দেখা নেই

টেকনাফ প্রতিনিধি:
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সকল জল্পনা কল্পনা শেষে আজ ২৫ মে অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচন। বিগত ২০০০ সালে প্রতিষ্টিত হয় এই পৌরসভা। ৯টি ওযার্ড নিয়ে গঠিত এই পৌরসভা। ভোটার সংখ্য হচ্ছে ১৩ হাজার, এটি হচ্ছে এই পৌরসভার ৩য় নির্বাচন। এই নির্বাচনকে লক্ষ করে ভোটারদের মাঝে দেখা দিয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা খুশির আমেজ। কারণ তারা এইবার তাদের মনের মত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে চায়। এদিকে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন অবাধ সুষ্টু নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মজিদ আমাদের রামু ডটকমকে জানান, ২৫ মে পৌর নির্বাচন অবাধ ও সুষ্টু নির্বাচন সম্পন্ন করতে ও কোন ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে আমাদের ১৫০ জন পুলিশ সদস্য সধা প্রস্তুত থাকবে। এর মধ্যে মোবাইল টহল পার্টি থাকবে ৬টি। পাশাপাশি বিজিবি, র‌্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা।

উল্লেখ্য, এইবারের নির্বাচনে নতুন পৌর পিতা হওয়ার আশায় ৫জন মেয়র পদ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছিলেন এবং জমাও দিয়েছিলেন কিন্তু যাছাই বাছাইয়ের দিন দুইজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়ে যায়। তারা হলেন, ফারুক বাবুল ও মো. হাসেম,

তিনজনের মনোনয়ন পত্র বৈধতা পেলেও প্রত্যাহারের শেষ দিন নিজের ইচ্ছাই দুইজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়। এর পর নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী বর্তমান মেয়র হাজী মো. ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় পৌর পিতা হিসাবে ঘোষনা পায়। কিছু দিন যেতে না যেতেই বাতিল হয়ে যাওয়া স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ফারুক বাবুল উচ্চ আদালতে আপিল করে তার প্রার্থীতার বৈধতার ঘোষনা পায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বর্তমান মেয়র হাজী মো. ইসলামকে অবশেষে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে হচ্ছে।

এদিকে পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ফারুক বাবুল নারকেল গাছ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিক পেলেও এখনো পর্যন্ত সেই ফারুক বাবুলকে নির্বাচনী মাঠে দেখা যায়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক বাবুলকে নিয়ে পৌরসভার অলিতে গলিতে চলছে নানা রকম আলোচনা-সমালোচনা।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, টেকনাফ পৌর নির্বাচন সম্পন্ন করতে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন ও টেকনাফ উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসার নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৯টি ওযার্ডে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং পুলিং অফিসার সহ মোট ১২৬ জন সদস্য নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন অফিস সুত্রে আরো জানা যায়, ৯টি ওযার্ডের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রকে তারা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই সমস্ত কেন্দ্র গুলোতে ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টিম।