প্রবারণা পূর্ণিমা দিনে ফানুস উত্তোলনঃ দায়িত্বশীল হয়ে ফানুস উত্তোলন করার আহবান

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুঃ
কাল শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। তিনমাস ব্যাপী চলমান বর্ষাবাসের কাল পরিসমাপ্তি হতে যাচ্ছে। এই দিনে দেশব্যাপী বাংলার রাতের আকাশ এক মায়াবীরূপ ধারণ করবে ফানুসের উপস্থিতি এবং আলোয়। এটা প্রবারণার রাতের আকাশের চিরচেনা এক দৃশ্য। যা জাতিধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে ছুঁয়ে যায়।

ফানুস উত্তোলনের ক্ষেত্রে এদেশের বৌদ্ধরা যুগ যুগ ধরে রাষ্ট্র, রাষ্ট্রযন্ত্র এবং এদেশের জাতিধর্ম নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগিতা পেয়ে এসেছেন। এবছরও এর ব্যতিক্রম হবেনা বলে বিশ্বাস করি। প্রবারণার ফানুস উত্তোলন অনুষ্ঠানকে শান্তি-শৃংখলার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু আমরা যারা ফানুস উড়াই আমাদেরও করণীয় কর্তব্য আছে। এটা টিকটাক উত্তোলন করতে না পারলে অনেকটা আগুন নিয়ে খেলা করার মত। তাই যত্রতত্র যেনতেনভাবে যে কেউ যাতে ফানুস উত্তোলন করতে না পারেন এই বিষয়ে আয়োজনকারী এবং অংশগ্রহণকারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। এটা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফানুস উত্তোলন না করাই শ্রেয় বলে মনে করি।

কেউ কোথাও যেন ফানুসকে কেন্দ্র করে অহেতুক গুজব রটিয়ে বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। যার যখন ইচ্ছা তখন ফানুস উত্তোলন না করে দয়া করে সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ফানুস উত্তোলন করার আহবান জানাচ্ছি। কোথাও প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে সহযোগিতা গ্রহণ করুন।

কক্সবাজার জেলার সব উপজেলাতে আইন শৃংখলা বাহিনী প্রবারণার ফানুস উত্তোলনকে সফল করতে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। কোথাও কোন ধরণের আশংকাবোধ করলে কিংবা সমস্যা সৃষ্টি হলে দ্রুত জানাবেন।

প্রবারণার ফানুস উত্তোলন সকলের সহযোগিতায় সুন্দর, সফল ও ঝুঁকিমুক্ত হউক এ প্রত্যাশা রইল। সবাইকে শুভ প্রবারণা।