‘কচ্ছপিয়ায় ধানের শীষের সমর্থকরা আতঙ্কিত’: প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

আমাদের রামু রিপোর্ট :
আসন্ন ২৮ মে ইউপি নির্বাচনে রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সহ সমমনা দলের মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবু মো: ইসমাইল নোমান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

বুধবার ১৮ মে বিকেলে প্রার্থীর দলীয় কার্যালয়ে এ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রার্থী নিজেই বক্তব্য দেন ।

অভিযোগে তিনি বলেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ আচরণ বিধির সকল ধারা লঙ্গন করে এলাকাকে উত্তপ্ত করে তুলেছেন।

বকাবকি থেকে শুরু করে সব নিয়মনীতি ভঙ্গ করেছেন।
তিনি আরো বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচনে সরকারি অফিস ইউনিয়ন পরিষদ ও গর্জনিয়া বাজার ব্যবস্থাপনার সরকারি অফিস ব্যবহার করছেন নিয়মিত যা আচরণ বিধির চরম লঙ্গন। এভাবে আচরণবিধি লঙ্গন করে তিনি গণমিছিল, মিছিল, জনসভা, শোভাযাত্রাও করে যাচ্ছেন নিয়মিত। গত ক’দিন আগে বিভিন্ন পত্রিকায় এ সংবাদটি ফলাওভাবে প্রকাশও পেয়েছে। জনগণ দেখেছেনও। এছাড়া দেওয়ালে দেওয়ালে পোষ্টার লাগা নিষেধ থাকলেও তিনি তাও করেছেন দাপটের সাথে।

অভিযোগে তিনি আরো বলেন, অনেক বহিরাগত বখাটে ও সন্ত্রাসীদের ইতিমধ্যেই জড়ো করছেন তিনি। আর রাতের অন্ধকারে এবং মেয়েদের জড়ো করে টাকা বিতরণের জন্যে অপতৎপরতা শুরু করেছেন ইতোমধ্যেই। বিশেষ করে ২৮ মে নির্বাচনের দিন ভোটারদের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিতে নানা হুমকি ধমকি দিতে শুরু করেছেন নৌকা প্রতীকের এ নুরুল আমিন ।

এছাড়া ধানের শীষের প্রতীকের সমথর্কদের পুলিশ, এমপি ও মন্ত্রী’র নাম ব্যবহার করে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন তিনি। এ কারণে ধানের শীষের সমথর্করা আতঙ্কিত ও শঙ্কিত।

চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মোহাম্মদ ইসমাঈল নোমান অভিযোগে আরো জানান, এভাবে নানা কারণে এ ইউনিয়নে ৭ টি কেন্দ্রকে তিনি অতি ঝুকিপূর্ণ মনে করেন।

কেন্দ্র গুলো হলো: ইউনিয়নের ৮ নম্বর কেন্দ্র মৌলভিরকাটা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র। এ কেন্দ্রটি নৌকা প্রতীকের বাড়ির লাগোয়া মাত্র ৫০/১০০ গজের মধ্যেই। এটি সম্পূর্ণ বেআইনী-বেমানান।

৯ নম্বর ওয়ার্ড়ে অবস্থিত ভোট কেন্দ্রটিও নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বাড়ির পাশে। এ কেন্দ্রের নাম আল গিফারী দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্র। এটির দূরত্ব এ প্রার্থীর ২৫০/৩০০ গজের মধ্যেই।

এর পরের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র গুলো হলো ১,২,৩,৫ ও ৬ নম্বর কেন্দ্র । এ সব কেন্দ্রে নুরুল আমিন নির্বাচনের দিন ভোট ছেড়ার জন্যে পরিকল্পনা করছেন নানা ভাবে।

নোমান আরো বলেন, ভোটের দিন এজেন্টদের জিম্মি করে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘোষনা দিয়েছেন নুরুল আমিন। তাই তিনি সর্ব-সধারণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে এ সব অনিয়ম বন্ধে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সহ সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী জানান। না হয় জনগণ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এসবের প্রতিবাদ জানাবে গণতান্ত্রিক পন্থায়।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম, রামু উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ তৌহিদুল ইসলাম, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাইমুনুল হক মামুন, বিএনপি নেতা কামরুল হাসান সোহেল প্রমুখ।