রামুতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন কঠোর হবে: মত বিনিময় সভায় ইউএনও সেলিনা কাজী

সোয়েব সাঈদ:
রামুতে ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি লক্ষ্যে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ১৪ মে সকাল ১১ টায় রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা কাজী বলেছেন, ভোট মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। এ অধিকার প্রয়োগ যেন মানুষ সুষ্ঠুভাবে করতে পারে। রামুতে আগামী ২৮ মে অনুষ্ঠতব্য ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। এ জন্য প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।

এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করা হলে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৫ম ধাপে আগামী ২৮ মে রামু উপজেলার ঈদগড়, গর্জনিয়া, কচ্চপিয়া, কাউয়ারখোপ ও রশিদনগর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থীদের নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।

মত বিনিময় সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল করিম, রামু থানার ওসি (তদন্ত) শেখ আশরাফুজ্জামান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রশিদনগর ইউনিয়নের রির্টার্নিং অফিসার মুহাম্মদ বেদারুল ইসলাম, ঈদগড় ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের রির্টার্নিং অফিসার ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. সলিম উল্লাহ, কচ্ছপিয়া ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের রির্টার্নিং অফিসার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুপেন চাকমা বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল করিম প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনা চলার আহবান জানিয়ে বলেন, অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তিনি সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

রামু থানার ওসি (তদন্ত) শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, ভোটের আগের দিন কেন্দ্রে যাওয়া পুলিশ এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাউকে খাবার বা টাকা পয়সা দেওয়া যাবে না। যদি কেউ এ ধরনের কাজ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেদারুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচ আয়োজনে নির্বাচন কমিশন আগের চেয়ে এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও অনিয়মে জড়িতদের ছাড় দেবেন না। নির্বাচনে যে কোন প্রকার অনিয়ম হলে তা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এ ব্যাপারে প্রশাসনের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সভায় ৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদের ২ শতাধিক প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তপশীল অনুযায়ি আগামী ২৮ মে রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া রামুর অপর ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ জুন।