নিজের ইচ্ছশক্তি এবং মেধাকে কাজে লাগাতে হবে

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর টাইম লাইন থেকেঃ
কিছু কিছু মানুষের জীবনে এমনও হয়ে থাকে যে, তিনি বা তারা পৈতৃক কোন সম্পত্তি পাননা। হয়তো থেকেও পান না অথবা না থাকার কারণে পান না।

এতে অনেক সন্তান ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েন। অনেকে পিতামাতার উপর ক্ষেপে যান। অনেকে প্রচন্ড অভিমান করে থাকেন।এমনকি অনেকে পিতামাতার মৃত্যুর পরবর্তী তাকে বা তাদেরকে স্মরণ করতেও চান না কিংবা তাদের সদগতি কামনায় ধর্মকর্ম করার প্রয়োজনবোধও করেন না।

কিন্তু এটা তো ভুলে গেলে চলে না যে, জন্মদাতা পিতামাতার থেকে আর কেউ বড় কল্যাণমিত্র হয়না।মায়ের গর্ভ যন্ত্রণা এবং পবিত্র দুধের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না।জন্মের পর থেকে সেই এক খন্ড মাংসপিন্ডকে একটু একটু করে বর্ধিত করে তোলার যে কঠিন কাজ মাতাপিতা হাসিমুখে করেন তা আর কোরো পক্ষে সম্ভব না। সেই অনন্ত গুণশালী মাতাপিতাকে অনাদর অবহেলা না করে যতটা সম্ভব জীবিতকালে সেবা-সৎকার এবং মৃত্যু পরবর্তী স্মরণ করা সন্তানের নৈতিক দায়িত্ব এবং কর্তব্য। এটা যেন আমরা ভুল করেও ভুলে না যাই। এই পাপ গুরুপাপ। এটা কাউকে ছাড়ে না।

নিজের ইচ্ছশক্তি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারার মত গৌরব এবং আত্মতৃ্প্তি কিন্তু পৈতৃক সম্পত্তি মধ্যে নেই।তাই হতাশ না হয়ে নিজের ইচ্ছাশক্তি এবং মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।