উখিয়ায় নৌকা ও ধানের শীষের মর্যাদার লড়াই

শহিদুল ইসলাম, উখিয়া।
উখিয়া উপজেলার ৬ষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ৪ জুন এ উপজেলায় ৫ টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের যাচাই- বাছাই সম্পূর্ণ হয়েছে।

ভোটরদের ধারনা ৫ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের মধ্যে লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৪ টি ইউনিয়নে যাচাই – বাছাই শেষে আওয়ামীলীগ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।

নির্বাচনী এলাকা ঘুরে জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আওয়ামীলীগ
বিএনপির নেতারাও সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছেন।
এ পর্যন্ত ৫ টি ইউনিয়নে ২৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৪৬ জন মেম্বার প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৬৭ জন মহিলা প্রার্থীরা
বৃহস্পতিবার যাচাই বাছাইয়ের শেষ দিনে চুড়ান্ত রয়েছে। প্রার্থীরা নির্বাচনী অফিস উদ্ধোধন করেও প্রচারনায় নেতা কর্মীদের কাজে ব্যস্ত রেখেছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুরুল ইসলাম জানান, যাচাই বাছাইকালে বুধবার ও বৃহ্স্পতিবার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের
একজন মেম্বার প্রার্থী ও পালংখালী ইউনিয়নে একজন মেম্বার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

জানা গেছে, ৪ নং রাজাপালং ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে লড়ছেন। অপরদিকে একই ইউনিয়নে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ নিয়ে লড়ছেন সাবেক সংসদ সদস্য শাহ জাহান চৌধুরীর ছেলে তারেক মাহমুদ চৌধুরী রাজিব।

পালংখালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়েছেন শাহদাৎ হোসেন জুয়েল, বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলী আহম্মদ মাঠে ময়দানে কাজ করছেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হেলাল উদ্দিন, নাগরিক পরিষদের ব্যানারে বিএনপি নেতা বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান এম, গফুর উদ্দিন চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রাথী হিসেবে জামায়াত নেতা হাফেজ শাহ আলম মাঠ ছাড়ছেনা।

রত্নাপালং ইউনিয়নে সাবেক জামায়াত নেতা নুরুল কবির চৌধুরী ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় জেলা বিএনপির সদস্য খাইরুল আলম চৌধুরী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিনও মাঠে রয়েছেন। একই ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে কাজ করছেন নুরুল হুদা।

হলদিয়াপালং ইউনিয়নে মন্ত্রী পরিষদের সচিব সফিউল আলমের ছোট ভাই মোঃ শাহ আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়লেও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক আমিন ও আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুব আলম। একই ইউনিয়নে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এস এম, শামশুল আলম বাবুল কোমর বেধেঁ মন্ত্রী পরিষদ সচিবের ভাইকে পরাজিত করতে মাঠে রয়েছেন।

জালিয়াপালং ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এস, এম ছৈয়দ আলম , যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজান মাঠে কাজ করছেন। বি এনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন চৌধুরীকে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।

সচেতন মহলের ধারনা , উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নে একজন ক্ষমতাধর সচিবের ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ ভোটাররা সংকুচিত।