রামুর রাজারকুলে বসত বাড়িতে ডাকাতি: ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট

সোয়েব সাঈদ:
রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের দেয়াংপাড়া এলাকায় বসত বাড়িতে দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ ডাকাতদল বিপুল টাকা ও স্বর্ণের অংলকারসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে।

মঙ্গলবার ১০ মে দিবাগত রাত আড়াইটায় ওই এলাকার সাবেক মেম্বার মৃত মো. আলীর ছেলে মুজিবুর রহমানের পাকা বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতের মারধরে পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গৃহকর্তা মুজিবুর রহমান আমাদের রামু ডটকমকে জানিয়েছেন, ১৫/২০ জন মুখোশ পরিহিত সংঘবদ্ধ ডাকাতদল রান্নাঘরের নিচে মাটি খুঁড়ে এবং আরো একটি লোহার দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে।

এসময় ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে এবং বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে আসববাপত্র তছনচ করে ১৫ ভরি স্বর্ণের অলংকার, ৪০ হাজার টাকা, চারটি মোবাইল ফোন সেটসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে যায়।

ডাকাতি চলাকালে পরিবারের সদস্যরা ভয়ে আর্তচিৎকার শুরু করে। এতে ডাকাতদল ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের মারধর করে। ডাকাতির পর রাত সাড়ে তিনটায় রামু থানার এসআই হাবিবের নেতৃত্বে টহল পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যান।

গৃহকর্তা মুজিবুর রহমান আরো জানিয়েছেন, ডাকাতির এ ঘটনায় তিনি রামু থানায় লিখিত এজাহার দেবেন।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল হক জানিয়েছেন, ডাকাতির ঘটনা টের পেয়ে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলেও ততক্ষণে ডাকাতরা লুটপাট করে সটকে পড়ে। তিনি আরো জানান, তিনবছর পূর্বে এ এলাকায় ডাকাতের গুলিতে নুরুল আমিন নামের এক কাঠমিস্ত্রি প্রাণ হারান। একের পর ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতংক বিরাজ করছে।

রাজারকুল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তারেক সরওয়ার জানিয়েছেন, এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ ইউনিয়নে বেশ কয়েকটি দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটলো। অথচ পুলিশ এলাকাবাসীর নিরাপত্তায় কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে নির্বিঘ্নে একের পর এক ডাকাতির ঘটনা সংগঠিত হচ্ছে।

অব্যাহত ডাকাতি ও চুরির ঘটনায় জনমনে চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।