উন্নয়নযজ্ঞের কেন্দ্রে স্থানীয় সরকার

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের ভোট যখন শেষ হল, তখন কেমন নির্বাচিত প্রতিনিধি পাওয়া গেল তার চাইতে এই নির্বাচনের ‘রেফারি’ কমিশনের ভূমিকা কী ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। এই দফার নির্বাচনে নিহত হয়েছেন একাধিক জন। বুথ দখল করে জাল ভোট প্রদান ও সরকারি দলের পক্ষে নির্বিচারে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। তবে আগের দফার চেয়ে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ছিল এমন বলা যাবে না। সহিংসতা প্রশমনের ক্ষেত্রে কমিশনের ভূমিকা ও পারদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সরকারি দলের সিনিয়র নেতারাও। শেষ ধাপে নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে এমন আশাবাদ শুনিয়েছিলেন কমিশন।

‘সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট গোল’ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোচিত প্রপঞ্চ। ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করে ২০১৫এর ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে ২০১৬-২০৩০ সময়কালের টেকসই উন্নয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তার মধ্যে ১৬ নং লক্ষ্য হচ্ছে, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে যথাযথ শান্তিপূর্ণ এবং সার্বিক সমাজ ব্যবস্থা বির্নিমাণে সকল স্তরের স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ অর্থবহ, জবাবদিহিতামূলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। সরকারের গৃহীত কার্যক্রম অতিদ্রুত বাস্তবায়ন করতে ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকারসমূহকে কার্যকরী করতে হবে। স্থানীয় স্তরের প্রতিষ্ঠানসমূহকে ফাংশনাল করে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এখন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের বক্তব্য হচ্ছে: “প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।”

আর ৫৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: “আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।”

‘প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার’ শব্দাবলী দিয়ে ক্ষমতার প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোতে স্থানীয় স্বশাসিত সরকার ধারণাটি উজ্জ্বলভাবে প্রতিষ্ঠানিকীকরণ করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে সংবিধান। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়ে থাকে।

মন্ত্রিপরিষদে ১২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে গৃহীত সিদ্ধান্তের ফলে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ, এই ৫টি স্তরের নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, হবে।বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে নতুন একটি পদ্ধতির সূচনা হতে চলেছে এই সিদ্ধান্ত দ্বারা। এই আলোকে বর্তমান আইনের কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।

যেমন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) আইন, ২০১৫এর খসড়া অনুমোদন; উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন ২০১৫এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন; জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন ২০১৫এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন; স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০১৫এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন; স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন ২০১৫এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।

প্রচলিত ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যসহ অন্য সদস্যদের নির্বাচনে রাজনৈতিক দল কর্তৃক প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ নেই। অন্যদিকে, উপজেলা আইন ২০১১ অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী নন। একই সঙ্গে পৌরসভা আইন ২০০৯, সিটি কর্পোরেশন আইন ২০০৯ এবং জেলা পরিষদ আইন ২০০০ অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও সদস্যরা রাজনৈতিক পরিচয় দিতে পারেন না।

১৯৫০এর দশকে ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের বা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হত যা ছিল নির্দলীয়।সামরিক শাসক এরশাদ আশির দশকে নিজের ক্ষমতা পাকা করতে উপজেলা পরিষদ গঠন করে দুই দফা নির্বাচন করেন। যদিও বিরোধী দল এর বিরোধিতা করে। সেই উপজেলা ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া হয় বিএনপির আমলে। এরপর সুপ্রিম কোর্টের আদেশে উপজেলা ব্যবস্থা পুনর্বহাল হলেও নির্বাচন হয় কয়েক বছর পর, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর। আর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে। বিতর্ক নিয়েও ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভাগুলোর নির্বাচন নিয়মিত বিরতিতে হয়ে আসছে।

গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ‘অনির্বাচিত ব্যক্তি’ দ্বারা সরকার পরিচালিত হওয়ার কোনো সুযোগ থাকতে পারে না, বর্তমান সরকার এ চিন্তাটি রাষ্ট্রকাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ করতে চাচ্ছে। ঠিক একই যুক্তিতে নিশ্চয়ই এক মুহূর্তের জন্যও ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ইত্যাদি সংস্থা সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত কোনো ‘অনির্বাচিত ব্যক্তি’ দ্বারা পরিচালিত হতে পারে না।

দলীয় ভিত্তিতে এবং দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে সরকার। মন্ত্রিসভা এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করে দিয়েছে। তড়িঘড়ি করে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং একই বিষয়ে বিধিমালা সংশোধনের কাজ করেছে। অবাক ব্যাপার হচ্ছে, জাতীয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকার একাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধি সংশোধনের অতি জরুরি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দল, পর্যবেক্ষক সংস্থা ও সুশীল সমাজের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের আলাপ বা সংলাপের তাগিদ অনুভব করেনি সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে এই মৌলিক সংশোধনীর পেছনে যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছিল যে, যেহেতু স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাই অংশ নিয়ে থাকেন, তাই চলমান স্ববিরোধিতার ঘোমটার আর প্রয়োজন নেই। বলা হচ্ছে নির্বাচন হচ্ছে নির্দলীয় কিন্তু করা হচ্ছে দলীয়ভাবে। তার চেয়ে সরাসরি দলীয় পরিচয়ে নির্বাচন করাই বাঞ্ছনীয়। সরকারের তরফে আরও বলা হয়েছে যে, এর মধ্য দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন এবং দেশে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো যাবে। কিন্তু বাস্তবতা তো ভিন্ন।

এখনও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা নির্বাচিত হয়ে থাকেন সাধারণত এলাকায় প্রার্থীর প্রভাব, সুনাম, মর্যাদা ও নিরপেক্ষতার গুণাগুণ বিচার করে। জনগণ অনেক ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ করেন। রাজনীতি না করেও চেয়ারম্যান ও সদস্যনা নির্বাচিত হন। এলাকার জনগণের উন্নয়ন এবং বিরোধের মীমাংসা করাই তাদের লক্ষ্য।

অনেকের মতে, যদি দলীয়ভিত্তিক নির্বাচন হয় তাহলে দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকারের নীতিমালা অনুসরণ এবং নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়ন করতে অধিক মাত্রায় আগ্রহী হবেন। নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনেক ক্ষেত্রে বিলম্ব হবে বা সঠিকভাবে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

স্থানীয় পর্যায়ে যারা দলভিত্তিক নির্বাচন পছন্দ করেন না তাদের মত হচ্ছে, স্থানীয় সরকারে দলীয় নির্বাচন হচ্ছে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা অথবা গ্রামে-গঞ্জে দলের নামে দলাদলি সম্প্রসারিত করা। বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে যে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন বিরাজ করছে, এমন নির্বাচনের ফলে তা দূর হয়ে দলভিত্তিক পরিচিতির প্রসার ঘটবে। সকল কর্মকাণ্ডে শুরু হতে পারে দলাদলি। দল ও কাঠামোতে কোনো প্রকার পরিবর্তন না করে এমনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ দেশের অগ্রগতির ধারা প্রবাহিত রাখার পক্ষে ফলপ্রসূ হবে কি না এ নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

তাছাড়া, দলীয়ভাবে নির্বাচনের জন্যে নির্বাচন কমিশন বা সরকার কোনো পদ্ধতির পরিবর্তন সাধন না করে এমন একটি মহাযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে নির্বাহ করতে পারবেন কি না, এ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।

এখন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রণিধানযোগ্য আশঙ্কা হচ্ছে গুণগত পরিবর্তন কতটা আসবে এবং নতুন ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকার কতটা শক্তিশালী হবে তা নিয়ে। আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে অসহিষ্ণুতা রয়েছে। সাধারণভাবে বলা হয়, ভালো মানুষ রাজনীতিতে আগ্রহী নয়। এমন ধারণাও আছে যে, সৎ মানুষের স্থান নেই কোনো দলে। যারা অর্থ ও পেশিশক্তির কাছে নিজেদের বিক্রি করেন না, যারা সহিংস রাজনীতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে পারেন না, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের কি মনোনয়ন দেওয়া হবে?

এমন ধারণাই প্রবল যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। তা থাকলে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে জনপ্রিয় ও যোগ্যদেরই মনোনয়ন পাওয়ার কথা। এবারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ছিল প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রধান দলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। নতুন ব্যবস্থায় দলের সঙ্গে স্থানীয় সরকারের সম্পর্ক কী হবে, দলীয়ভাবে নির্বাচন হলে কে মনোনয়ন দেবে দলের স্থানীয় শাখা, না কেন্দ্রীয় কমিটি ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন ছিল।

তাছাড়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল, ক্ষমতাহীন স্থানীয় সরকার দলীয়ভাবে কী নির্দলীয়ভাবে যেভাবেই নির্বাচিত হোক না কেন, মানুষ কেন তাদের নিয়ে আগ্রহী হবে। জনগণ দেখতে চাইবে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর ক্ষমতায়ন করা হচ্ছে কি না এবং স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে তারা সিদ্ধান্ত নিতে কতটুকু সক্ষম সেটি।

স্থানীয় সরকারের প্রসঙ্গটি সংবিধানের ‘নির্বাহী বিভাগ’ নামক চতুর্থ ভাগে ‘রাষ্ট্রপতি’, ‘প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা’ পরিচ্ছেদের পরে, এদেরই পাশাপাশি ‘স্থানীয় শাসন’ নামে পৃথক পরিচ্ছেদ রূপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ ও জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই এটি করা হয়েছিল। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার চালু রয়েছে। গ্রামাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ, শহরাঞ্চলে পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। এর মধ্যে জেলা পরিষদে কখনও নির্বাচন হয়নি। অনির্বাচিত প্রশাসক দিয়ে জেলা পরিষদ চালানো হচ্ছে।

এখন যে প্রশ্নটি সামনে এসেছে তা হল, এইসব নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা কী হবে? তারা কীভাবে মনোনয়ন দেবে? একজন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ আলোচনা প্রসঙ্গে বললেন, এতে মনোনয়ন বাণিজ্য আরও বাড়তে পারে। দলের নেতৃত্ব সেই বাণিজ্য ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেবে? দলবদলের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

বাস্তবে এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে হয়েছেও তাই। দলগুলোর মমোনয়ন-বাণিজ্য নিয়ে এবার পত্র-পত্রিকায় অসংখ্য প্রতিবেদন এসেছে। যোগ্র প্রার্থীরা মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন এমন অভিযোগ অনেক।

আবহমান কাল থেকেই ভারত উপমহাদেশের স্থানীয়রা স্বশাসিত শাসনের কাঠামোর সঙ্গে পরিচিত। জমিদার, রাজা-মহারাজাগণ গ্রাম-গঞ্জের তথা গণমানুষের জন্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলে ভাগ করে যাবতীয় অর্থনৈতিক-সামাজিক কাজকর্ম করতেন। এই গণশাসন কাঠামো সমাজতাত্ত্বিক পরিভাষার সীমানা ছড়িয়ে পাশ্চাত্যে এশিয়াটিক সোসাইটি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সর্দার, পঞ্চায়েত ইত্যাদি ব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের অনন্যতা মেনে নিয়েছে সব সোশিওলজিক্যাল টেক্সট।

এমন একটি মৌলিক কাঠামোর ন্যূনতম পরিবর্তনও তাই যথাযথ সতর্কতা দাবি করে বটে।

[বিডিনিউজ]