টেকনাফে মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান রিয়াজুল হকঃ একরামসহ সকল হত্যাকান্ডের তদন্ত হওয়া উচিত

অর্পন বড়ুয়া : 
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, টেকনাফের কাউন্সিলর একরামসহ দেশের সকল বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের বিচার হওয়া উচিত। আইনের বাইরে কোন মানুষকে যেন হত্যার শিকার হতে না হয়, সে কথা আমরা সরকারকে বার বার বলেছি। প্রত্যেকটা মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত¦ সরকারের। বিচার পাওয়ার অধিকার সংবিধানে স্বীকৃত।

রোববার (২৪ জুন) বিকালে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত একরামের পরিবারের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এ সময় একরামের স্ত্রী ও কন্যারা চট্টগ্রামে থাকায় তাদের সাথে সাক্ষাত করতে পারেননি কমিশন চেয়ারম্যান। একরাম হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে কমিশন চেয়ারম্যান আরো বলেন, একজন বিচারক দিয়ে তদন্ত করে একরাম হত্যার ন্যায় বিচার নিশ্চিতের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান তিনি।

এদিকে বন্দুকযুদ্ধে নিহত টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করার আগে বেলা ১২ টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যান জাতীয় মানবধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।

এসময় তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন এবং রোহিঙ্গাদের খোঁজ-খবর নেন।

কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে কূটনৈতিক তৎপরতা ব্যর্থ হলে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের উচিত মিয়ানমারের উপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা। রোহিঙ্গারা সেখানে নাগরিক ও মৌলিক অধিকার বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার এদেশে পালিয়ে এসেছে। আজকের রোহিঙ্গা সংকট শুধু দু’দেশের নয়, এটি এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার কারণে উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয়রা অর্থনৈতিকসহ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয়রা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়ার বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার কমিশন সমীক্ষা পরিচালনাসহ নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। এ নিয়ে করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের কাছে সুপারিশমালাও তুলে ধরা হয়েছে।