শিক্ষকের হাতে অভিভাবক লাঞ্ছিত হওয়া প্রচলন হয়ে দাঁড়াচ্ছে

ইউছুফ আরমান:
সাম্প্রতিক কক্সবাজারে শিক্ষকের হাতে অভিভাবক লাঞ্ছিত করা একটি প্রচলন হয়ে দাঁড়িয়েছে। খরুলিয়া স্কুলের ঘটনার পর রামু খিজারী উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন বর্বরোচিত ঘটনার পুনার্বৃত্তি ঘটেছে। যার ফলে শিক্ষক সমাজের উপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নাকি অভিভাবকের উপর শিক্ষকদের ক্ষোভ?শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষক ছিলেন শ্রদ্ধারপাত্র, সাধারণ মানুষের আশা আলো, অন্ধকারের প্রদীপ, মাথার মুকুট ইত্যাদি।

আজ সে শিক্ষক বর্তমান মানুষের চোখে ঘৃণার পাত্র। যেহেতু শিক্ষকেরা হিংস্র দানবের মত অভিভাবকের উপর থাবা দিতে শুরু করেছে। কাজেই এর প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে? শিক্ষক আর অভিভাবকের মধ্যে যদি দ্বন্ধ সৃষ্টি হয় এর প্রভাব কোথায় পড়বে কেউ ভেবে দেখেছেন কি? সত্যি বলতে কি বর্তমান সমাজে শিক্ষিত সন্ত্রাস বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক হতে পেরে অভিভাবকদের কোন ধরণের মূল্যায়ন করছে না। সেহেতু নানান ভেড়াজালের উৎপত্তি। শিক্ষকেরা আগের মত ভদ্র-বিনয়ী-নম্র হতে নারাজ।

কারণ অনেক তৎবির করে বি.সি.এস ক্যাডার হয়েছে, নানান স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছে। তাতে আজ শিক্ষক সমাজে এত বৈষম্য তৈরী হচ্ছে। প্রকৃত জ্ঞান মেধা দিয়ে শিক্ষক হয় নি কেবল ক্ষমতার দাপটে শিক্ষকের আসনে আসীন হয়েছি।

সুতরাং কোন অভিভাবকের কটু কথা শুনতে পারবে না। অভিভাবক কে জবাবদিহিতা করতে পারবে না। অভিভাবক যদি চড়া হয় শিক্ষক সন্ত্রাস হয়। পাল্টা হামলা অনিবার্য। প্রয়োজনে শিক্ষকের হাতে অভিভাবক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার জন্ম হবে।

লেখক: এডভোকেট, কক্সবাজার।