২০,০০০ ভিক্ষু নিয়ে পালন করা হলো মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের মহাসংঘদান

ধর্ম ডেস্ক:
থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমারে দুই দেশের সম্পর্ক আরো মজবুত করতে মিয়ানমার মান্দালয় বিভাগীয় সরকার একটি গণ দান অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

যা এই অনুষ্ঠানটি মিয়ানমারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হতে পারে বলে কয়েকজন অফিশিয়াল কর্মকর্তা জানান।

২১ জানুয়ারী রবিবার বৃহত্তম শহর মান্দালয় মিয়ানমার চ্যানমিথর্জি পুরোনো বিমানবন্দরে এই অনুষ্ঠান যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে।

এই পুন্যানুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের ধাম্মাকায়া ফাউন্ডেশন এই অনুষ্ঠানটি করতে ২ লাখ ৯৩ হাজার ডলার দান করেছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রায় অর্ধেক ভিক্ষু মিয়ামারের অধিবাসী আর বাকীগুলো থাইল্যান্ড , কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে এই রকম অনুষ্ঠান ২০১৫ সালে সেপ্টেম্বর মাসে ১০ হাজার ভিক্ষু দিয়ে থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমার মান্দালয়ে করেছিল। এটি ২য় বারের মত ২০ হাজার ভিক্ষু নিয়ে পালন করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, এই অনুষ্ঠানটি আমন্ত্রিত সন্ন্যাসীদের থেকে যারা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছে তাদের প্রত্যেকের জন্য (মিয়ানমারের স্থানীয় মুদ্রা) অন্তত ৩০ হাজার কিয়াত দান দেওয়া হয়েছে।

কমিটির মতে, থাইল্যান্ডের ভিক্ষুরা দ্বিতীয় বারের মত এবং মান্দালয় বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে স্থানীয় সন্যাসীরা প্রথম বারের মত এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছে।

এছাড়া স্থানীয় অধিবাসী ছাড়াও বিদেশী বিভিন্ন উপাসক-উপাসিকা পুণ্যদানীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সব ধর্মের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

এর আগে ইংরেজী নববর্ষ দিন উপলক্ষ্যে মিয়ানমারে স্থানীয় ও বিদেশী ১৮০০০ বৌদ্ধ সন্ন্যাসী নিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে অধিবাসীরা। গত ১ জানুয়ারি ২০১৮ ইয়াংগুনে পালন করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here