আর পেছনে তাকানোর সময় নেই : স্পিকার

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক:
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘এখন সময় এগিয়ে যাওয়ার। আর পেছনে তাকানোর সময় নেই, থেমে থাকারও সুযোগ নেই। সকলকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে পরিচিতি পেতে ডিজিটাল বাংলাদেশের ছায়াতলে সামিল হই।’

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তজার্তিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবসের আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

দেশ প্রথমবারের এই দিবস উদযাপিত হচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব সুবীর কুমার কিশোর চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এ অনুষ্ঠানে স্পিকার দশটি ক্যাটাগরিতে ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির হাতে ২০১৭ সালের ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার’ তুলে দেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগোযাগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল গভর্নমেন্ট, হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, কানেক্টিভটি ও ইন্ডাস্ট্রি প্রমোশন-এ চারটি পিলারের ওপর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন—যার সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে।

অনুষ্ঠানে দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের প্রসারে বিশেষ অবদান রাখায় ১২টি ক্যাটাগরিতে ১৫ জনকে ‘ন্যাশনাল আইসিটি এ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ প্রদান করেন স্পিকার। এর মধ্যে শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ জাফর ইকবাল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ফরিদউদ্দিন, বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের তৌফিক ইমরোজ খালিদি, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া ও সিটি ব্যাংক উল্লেখযোগ্য। মরণোত্তর পুরস্কার দেয়া হয় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে। আনিসুল হকের পক্ষে তার দুই মেয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন সরকারের নয়, ডিজিটাল বাংলাদেশের দেশের ১৬ কোটি মানুষের নিজেদের ভিশনে পরিণত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগে কখনো পলিসি ছিল না। অতীতে কোনো সরকার তা করেনি। প্রধানমন্ত্রী চিন্তা করেছেন, সজীব ওয়াজেদ জয় পলিসি প্রণয়ন করেছেন। ৯ বছরে যত কাজ হয়েছে, তা জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টির কারণেই সম্ভব হয়েছে।’