নাগরিক দায়বদ্ধতা আছে

জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় যেকোন রাজনৈতিক দল। সেই রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করে। গঠিত সেই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। আবার সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার সুবিধার্থে বিভিন্ন দপ্তর থাকে। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী থেকে শুরু করে গ্রামের এমইউপি পর্যন্ত সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশ গ্রহণ করে থাকেন।

এমইউপি, চেয়ারম্যান এবং সাংসদ তারা সরাসরি জনপ্রতিনিধি। অনেক আশা-প্রত্যাশা নিয়ে জনগণ তাদেরকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। এমনকি পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে গিয়ে এবং প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে গিয়ে অনেকের জীবনও যায়।

পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন হবে, মানুষের ভাল করবে, নাগরিক জীবনের দুঃখ – দুর্দশা লাঘব হবে, শান্তিতে বসবাস করতে পারবে এমন অনেক প্রত্যাশা থেকেই সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেন।

ভাঙ্গা রাস্তাটি কখন মেরামত করা হবে, সেতুটি কখন নির্মাণ করা হবে, বানের জল থেকে কখন রক্ষা পাবে এই আশায় তাদের দিকে চেয়ে থাকেন এবং বিশ্বাস করে দীর্ঘ প্রতিক্ষায় থাকেন।

কিন্তু এভাবে এলাকার উন্নয়ন হয়না। উন্নয়ন হলেও প্রত্যাশিত এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়না। কারণ উন্নয়ন নিয়েও রাজনীতি হয়, স্বজনপ্রীতি হয়, দুনীর্তি হয়, ভাগ বাটোয়ারা হয়।

এলাকার উন্নয়ন কতটুকু হবে সেটা নিশ্চিত করতে সরকার, জনপ্রতিনিধিদের যেমন ভূমিকা আছে তেমনি আছে নাগরিকদেরও। এলাকার নাগরিক সমাজ চোখ-কান বন্ধ রেখে নিরব ভূমিকায় অবতীর্ণ হলে সেই এলাকার উন্নয়ন হয়না, হলেও নাম মাত্র হয়। এইক্ষেত্রে নাগরিক দায়বদ্ধতাও আছে।