যুবককে অপহরনের পর হত্যা

শহিদুল ইসলাম, উখিয়া।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকা থেকে এক যুবককে অপহরণের পর হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী খালেদা বেগম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভূক্তভোগীর পরিবার পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা মোক্তার আহাম্মদ। সে দিন মজুরের কাজ করত।

গত ৪ জানুয়ারী সকালে পশ্চিম সাতঘরিয়া এলাকা থেকে এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া, আবুল শামা, শামশুল আলম সহ ৪/৫ জন মিলে মোস্তাক আহাম্মদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বাদশা মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর মোস্তাক আহাম্মদের মলের মধ্যে অবৈধ ইয়াবার প্যাকেট পায়ু পথে ঢুকিয়ে দিয়ে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়। তার পরের দিন ৫ জানুয়ারী পেঠের যন্ত্রণা সইতে না পেরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানা পুলিশ চকবাজার এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করেন। আসামীরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়া এলাকার মৃত ছিদ্দিক আহাম্মদের ছেলে বাদশা মিয়া, মৃত মোহাম্মদ আলমের ছেলে শামশুল আলম, ছিদ্দিক আহাম্মদের ছেলে গফুর মিয়া ও রাজাপালং ইউনিয়নের ডেইল পাড়া গ্রামের মোঃ শাহ জাহান, কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের এমআরসি নং- ৩০৫০৬ এফ ব্লকের বাসিন্দা মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আবুল শামা।

খালেদা বেগম বলেন, আমার স্বামীর নিহত হওয়ার অনেক দিন পার হয়ে গেলেও তার বিচার হয় নাই। টেকনাফ থানা একাধিক বার অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশের সাথে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের গভীর সু-সম্পর্ক রয়েছে বলে আমি মনে করি।