টেকনাফে ৮০ দিনে ১৮ লক্ষ ইয়াবা উদ্ধার!

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ
কিছুতে থামছেনা ইয়াবা পাচার এই ইয়াবা পাচার রোধ করতে সরকার যতই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে ততই বাড়ছে পাচার। এতে কিছুতেই রোধ করা সমস্ব হচ্ছে না এই মরন নেশা ইয়াবা।

প্রতিনিয়ত পাচারকারিরা প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে নিত্য নতুন কৌশল পরিবর্তন করে তাদের পাচার কাজ অব্যাহত রেখেছে। ইদানিং মাদক পাচারকারিরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করে এখন গভীর বঙ্গোপসাগরের পথকে বেছে নিয়েছে। এই পথ দিয়ে এখন পাচার হচ্ছে লক্ষ লক্ষ ইয়াবা।

এদিকে টেকনাফ ২ বিজিবি , কোষ্টগার্ডের সদস্যদের সাড়াঁশি অভিযানে গভীর বঙ্গোপসাগর ও নাফনদীর সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে গত ৮০ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৮লক্ষ ইয়াবা সহ বেশ কয়েকজন পাচারকারিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

সেই ধারাবাহিকতায় ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে টেকনাফ ২ বিজিবির সদস্যরা গোপন সংবাদে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার মালিকবিহিন ইয়াবা আটক করতে সক্ষম হয়।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়, বুধবার ভোররাতে টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের বঙ্গোপসাগরে খুরের মুখ সীমান্ত এলাকায় দিয়ে পাচারের সময় বিজিবির অধিনায়ক আবুজার আল জাহিদের গোপন সংবাদের বিত্তিতে বিজিবির সদস্যরা ৫ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচাকারিরা সু-কৌশলে পালিয়ে যায়।

এব্যাপারে গতকাল বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পরিচালক ও (ভারপ্রাপ্ত) অধিনায়ক আবু রাসেল সিদ্দিকী জানান, বিজিবি কাছে গোপন সংবাদ ছিল মায়ানমার থেকে একটি ইয়াবার বড় চালান সাগর পথ দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করছে। সে সংবাদের ভিত্তিতে সাবরাং খুরের মুখ বিওপির সদস্যরা বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ইয়াবার চালানটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরো জানান, ইদানিং পাচাকারিরা তাদের কৌশল পরির্বতন করে নাফনদীর সীমান্ত এলাকা বাধ দিয়ে গভীর বঙ্গোপসাগর স্থলপথ দিয়ে ইয়াবা পাচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই সাগর পথ দিয়ে প্রতিনিয়ত পাচার হয়ে লক্ষ লক্ষ ইয়াবা দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রবেশ করছে।

এতে ইয়াবা নেশায় আসক্ত হচ্ছে আমাদের দেশের যুব সমাজ। ইয়াবা পাচারকারি, ব্যবসায়ী এবং সেবনকারি দেশ ও সমাজের শত্রু। এই মরন নেশা ইয়াবা আগামী ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য হুমকি হয়ে দাড়াঁবে।

তিনি আরো জানান, ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হলে সর্বস্তরের প্রশাসন, স্থানীয় জনগন , বিভিন্ন পেশাজীবিসহ গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিউনিটি স্মাগলিং প্রিভেনশন কমিটি গঠন করে সীমান্তে বিভিন্ন অপরাধে সাথে যারা জরিত সে সব ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচার প্রচারানা চালিয়ে যেতে হবে। তার পাশাপাশি এই সমস্ত অপরাধীদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট বা নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিতে হবে।