আজ লামায় প্রায় ১৯ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

মোঃ ইউছুপ মজুমদার, বান্দরবান প্রতিনিধি :

সারাদেশের ন্যায় বান্দরবানের লামা উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন প্রথম রাউন্ড শুরু হয়েছে আজ শনিবার।

এবার লামা উপজেলায় ভ্রাম্যমান ৯টিসহ ১ শত ৫৪ কেন্দ্রে প্রায় ১৯ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তার মধ্যে একটি পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নের ভ্রাম্যমান ৯টি কেন্দ্রসহ ১৫৪টি কেন্দ্রে কাজ করবে ৪৬২জন স্বাস্থ্য কর্মী, স্বেচ্ছাসেবী এবং পরিবার কল্যাণ সহকারীরা। গত বৃহস্পতিবার (৩ আগষ্ট) সকালে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ উইলিয়াম লুসাই এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, লামা পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জোবাইরা বেগম ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) রূপন কান্তি চৌধুরী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ সমীরণ বড়ুয়া প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, শনিবার ১ম রাউন্ডে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সের ২ হাজার ২৮৭ জন শিশুকে একটি নীল রঙের ও ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের ১৬ হাজার ৫২২ জন শিশুকে লাল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এজন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ উইলিয়াম লুসাই বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের অন্ধত্ব ছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায়। শিশুর মৃত্যু ঝুকি কমায়। শিশুর দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ও শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বাংলাদেশে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টি সেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন করে থাকে।

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুলের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা ঝুঁকি নেই। এসময় বক্তারা ৬মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।