সর্বশেষ সংবাদঃ

নাইক্ষ্যংছড়িতে শীতার্তদের মাঝে নিজেস্ব অর্থায়নে চেয়ারম্যান তসলিমের কম্বল ও লুঙ্গি বিতরণ

আব্দুল হামিদ:
নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড়ী জনপদে চলছে হাড় কাঁপানো শীত। পাহাড়ের বসবাসরত মানুষ যখন শীতে কাঁপছে ঠিক সেই সময় ২৭ হাজার কম্বল ও আড়াই হাজার লুঙ্গি নিয়ে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) দিন ব্যাপী তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৯টি ওর্য়াডের মসজিদের ইমাম,মোয়াজ্জেমসহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেওয়া শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল ও লুঙ্গি বিতরণ করেন।

চেয়ারম্যানের আগমনে কিছুক্ষণের জন্য শীতের কষ্ট ভুলে গিয়েছিলেন এলাকার শীতার্তদ মানুষ ও ছিন্নমূলের এসব মানুষেরা।
কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই চেয়ারম্যা নিজেই উপস্থিত হয়ে এলাকার ৯টি ওর্য়াডে বিভিন্ন ধরনের রোগী, ছিন্নমূল নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধদের চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে কম্বল ও লুঙ্গি বিতরণ করায় অবাক হয়েছেন অনেকে। তবে কম্বল পেয়ে এসব অসহায় মানুষ ভীষণ খুশি।এসময় উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতা অধ্যাপক এম, শফি উল্লাহ, ইউপি সদস্য আরেফ উল্লাহ ছুট্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য সচিব মোঃ ইমরান মেম্বার,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি এম, এস ইকবাল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এ,বি নয়ন, আবুল হোসেন মেম্বর, যুবলীগ নেতা ক্যানো ওয়ান চাক্ ,উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক উবাচিং মার্মা প্রমূখ।

চেয়ারম্যান তসলিম এই প্রতিবেদককে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে সারাদেশে বইছে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। এর কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ-ব্যাধি। অনেকেই হাসপাতালে গেলেও নেই তাদের শীতের পর্যাপ্ত পোশাক। এলাকাবাসী আমাকে মানুষের সেবা করার দায়িত্ব দিয়েছে। এতে সরকার কবে শীতবস্ত্র পাঠাবে তা অপেক্ষায় বসে থাকতে পারিনা। কিছু দিন আগেও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রির সহর্ধমিনী মিসেস মে হ্লা প্রু মার্মা নিজস্ব অর্থায়নে এলাকাবসীদেরকে শীতবস্ত্র বিতরণ করে গেছেন। এর পরও অসাহায় মানুষকে বাচাঁতে হবে। তাই নিজস্ব অর্থায়নে ২৭ হাজার পিচ কম্বল ও আড়াই হাজার পিচ লুঙ্গি নিয়ে নামা হয়েছিলো। যাদের শীত তাড়াতে ব্যবস্থা নেই এমন অসহায় শীর্তাতদেরকে কম্বল ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

 

মন্তব্য করুন

(বিঃ দ্রঃ আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে) Required fields are marked *

*

Shares